west bengal lockdown 2021: রাজ্যের নির্দেশিকা জারির পরেই জেলা থেকে কলকাতায় ভিড় বাড়ল দোকান-বাজারে – after state government guidelines crowd gathered in shops and markets

Share Now





হাইলাইটস

  • সংবাদমাধ্যমে এই খবর সম্প্রচারিত হতেই ভিড় হতে শুরু করেছে দোকান বাজারে।
  • সকাল ৭টা থেকে ১০টা এবং বিকেল ৩টে থেকে ৫টা পর্যন্ত দোকান খোলা যাবে।
  • তাতেও আতঙ্কিত মানুষ করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে তোয়াক্কা না করেই দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় রসদ জোগাড় করতে নেমে পড়েছেন রাস্তায়।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার প্রকোপ থেকে ঠেকাতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে রাজ্যের সমস্ত শপিং মল, শপিং কমপ্লেক্স, বিউটি পার্লার, সিনেমা হল, রেস্তোরাঁ, বার, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, জিম,স্পা, সুইমিং পুল। শর্তসাপেক্ষে খোলা থাকবে বাজার। সকাল ৭টা থেকে ১০টা এবং বিকেল ৩টে থেকে ৫টা পর্যন্ত দোকান খোলা যাবে। তবে ওষুধের দোকান, মুদি দোকান সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকানগুলি এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। হোম ডেলিভারি এবং অনলাইন পরিষেবার ক্ষেত্রেও ছাড় রয়েছে। সেইসঙ্গে যে কোনওরকম জনসমাবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।
আকস্মিক এই ঘোষণা আবারও তাজা করে দিল গত বছরের লকডাউনের স্মৃতিকে। সংবাদমাধ্যমে এই খবর সম্প্রচারিত হতেই ভিড় হতে শুরু করেছে দোকান বাজারে। মুদিখানা দোকানের সামনে থলে হাতে লম্বা লাইন চোখে পড়ছে। আতঙ্কিত মানুষ করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে তোয়াক্কা না করেই দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় রসদ জোগাড় করতে নেমে পড়েছেন রাস্তায়। একই চিত্র কলকাতা শহর থেকে শুরু করে জেলায় জেলায়। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ একচিত্র।

নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা শিবনাথ শিকদার বলেন, ‘গতবার লকডাউনের মধ্যে জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছিল। রোজকার প্রয়োজনীয় জিনিস পেতেও সমস্যা হচ্ছিল। তাই আজ সরকারি ঘোষণা শুনতেই দোকানে চলে এসেছি। হপ্তাখানেকের মুদিখানাটা সেরে রাখছি।’ মুর্শিদাবাদের গৃহবধূ ময়না লাহা বলেন, ‘মাইক নিয়ে ঘোষণা করে বেড়াচ্ছে শুনলাম। অর্ধেক দোকান তো অত সকালে খোলেই না। খুললেও ঘরের কাজ সেরে দোকান বাজারে আসার সুযোগ হবেনা। দুপুর রোদে ৩টের সময় আসাও সম্ভব নয়। তাই এখনই বাজার করে রাখছি কিছুটা।’ যদিও লকডাউনের কথা একবারও বলেনি সরকার।

তাজপুরে অসুস্থ বৃদ্ধাকে ফেলে দিয়ে গেল পরিবারের লোকজন
অন্যদিকে মাথায় হাত পার্লারের মালকিন থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁর কর্মচারীদের। মালদার এক বার ও রেস্তোরাঁর মালিক অভিজিৎ মজুমদার বলেন, ‘গতবছরের লোকসানই এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি। বেশিরভাগ কর্মচারীদের আগেই ছাড়িয়ে দিয়েছিলাম। যে ক’জন আছে তাঁদের মায়না দেব কী ভাবে, সেটাই এখন চিন্তার বিষয়।’ বর্ধমানের এক পার্লারের মালকিন অনুষ্কা সাহা বলেন, ‘গতবছরই নতুন দোকানটা ভাড়া নিয়েছিলাম। তারপরই লকডাউন হয়ে গেল। একবারে ঘরে বসে গেলাম। শুরুর দিকে কয়েকজন কাস্টমার বাড়িতে ডাকলেও পরের দিকে সেটাও বন্ধ হয়ে গেল। আমরা দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ। দোকানঘরের ভাড়া দেওয়াই এখন দুষ্কর। ফলে তামাম রাজ্যবাসীর অনেকেই ক্ষুব্ধ সরকারের এই হঠকারী সিদ্ধান্তে। আগামীদিনে লকডাউন নিয়ে আবার কী ঘোষণা হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।’ যদিও ওষুধের দোকান এবং মুদির দোকানের মতো জরুরি পরিষেবা এই নির্দেশিকার আওতার বাইরে থাকছে।






Source link