west bengal lockdown: ‘ক্রেতা এলে কী করব’, সময়ে ঝাপ না বন্ধ করার ‘অকাট্য’ যুক্তি দোকানিদের – police conduct surprise raid in many market to impose state government guideline

Share Now





হাইলাইটস

  • এখনও সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘ডোন্ট কেয়ার’ মনোভাব দেখা যাচ্ছে।
  • কোথাও কোথাও নিয়ম ভাঙায় পুলিশ কয়েকজনকে আটকও করে
  • কোথাও প্রথম দিনে শুধু সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাজারে বাজারে ঘুরছে পুলিশ। নির্দিষ্ট সময় পরে কোথাও বন্ধ হচ্ছে বাজার, কোথাও বা সে বালাই নেই। তবে এখনও সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘ডোন্ট কেয়ার’ মনোভাব দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও নিয়ম ভাঙায় পুলিশ কয়েকজনকে আটকও করে। কোথাও প্রথম দিনে শুধুমাত্র সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

লেকটাউন থানার অন্তর্গত বিভিন্ন বাজার ও জানবসতীপূর্ণ এলাকায় সাধারণমানুষকে সচেতন করতে চলে মাইকিং। শনিবার সকালে জয়নগর থানার পুলিশ কর্মীরা হানা দেয় গোড়ের হাটে l এমনিতে এই হাটে কেনাকেটা করতে প্রচুর মানুষের ভিড় হয় l যার থেকে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর প্রবল সম্ভবনা থাকে l তার মধ্যেই শুক্রবার রাজ্য সরকারের নির্দেশিকার পর এদিন সকালে ঘড়ির কাঁটায় দশটা বাজতেই সেই গোড়ের হাটে হানা দেয় জয়নগর থানার পুলিশ l এরপর থেকে সমস্ত ব্যবসায়ীর দোকান বন্ধ করতে থাকে l শুধু তাই নয়, হাটের সমস্ত ব্যবসায়ীদেরকেও নির্দিষ্ট সময়ে দোকান খোলা ও বন্ধ করার বিষয়েও মাইকিং করে সতর্ক করে দেওয়া হয় l

সকাল ১০টা বাজতেই বন্ধ করে দেওয়া হল গড়িয়া বাজার। DSP সুপ্রভাত চক্রবর্তী নেতৃত্বে মাইকিং করে সমস্ত বাজার বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রতিদিন যাতে সকলে নিয়ম মেনে বাজার খোলা ও বন্ধ করেন সে কথাও বলেন তাঁরা।

রাজ্যের নির্দেশিকা জারির পরেই জেলা থেকে কলকাতায় ভিড় বাড়ল দোকান-বাজারে

নিউটাউনের অন্যতম বড় বাজার হলো গৌরাঙ্গনগর বাজার ও জ্যোতিনগর বাজার। প্রতিদিন সকালে এই বাজারে থাকে উপচে পড়া ভিড়। কিন্তু আজ উলটো চিত্র।এই বাজারে লোক ছিল কম। বিক্রেতারা দোকান খুললেও সেইভাবে নেই ক্রেতা। বারাসত কাছারি ময়দান এলাকায় সবজি বাজারে তেমন মানুষের জমায়েত নেই। মোটের উপর ফাঁকা বলাই যায়। তবে সরকারি নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ব্যবসা করছেন বসিরহাটের ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে নানান রকম অজুহাত দিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন, ক্রেতা এলে কী করব!

শিলিগুড়িতে এদিন সকাল ১০ টার পরও দেখা যায় বহু জায়গায় বাজারগুলি খোলা রয়েছে। দিব্যি চলছে কেনাকাটা। এমনকি মাছ বাজারগুলিও খোলা ছিল। পুলিশ গিয়ে বাজার বন্ধ করে। তবে ১২ টা অবধি কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের তরফে জানা গিয়েছে, আপাতত প্রতিটি বাজারে ও দোকানের ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের পরে দোকান বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে তারপরও সেগুলি খোলা হলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






Source link