west bengal assembly election 2021: বাজছে ভোটের ঘণ্টা, ফের রাজ্যে আসছেন উপ নির্বাচন কমিশনার! নজরে আইনশৃঙ্খলা – sudip jain, deputy election commissioner coming to west bengal one more time

Share Now





হাইলাইটস

  • আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশাসনকে কমিশনের কাছে জবাবদিহি করতে হয়।
  • আগামী ১২ জানুয়ারি রাজ্যে আসছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ডেপুটি কমিশনার সুদীপ জৈন।
  • গত মাসেই ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার কলকাতায় দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করে যান।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: খাতায়কলমে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট জারি হতে এখনও কিছুদিন বাকি। তবে বেশ কিছুদিন আগে থেকেই রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর নজরদারি শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিয়ম অনুযায়ী ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের দিন থেকে আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনও চলে যায় কমিশনের অধীনে। তখন নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশাসনকে কমিশনের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। কিন্তু তা কমিশন করছে আগে থেকেই। এই পরিস্থিতিতে ফের আগামী ১২ জানুয়ারি রাজ্যে আসছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ডেপুটি কমিশনার সুদীপ জৈন।

গত মাসেই ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার কলকাতায় দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করে যান। বৈঠক করেন সর্বদলীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে। নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে ডাকা হয়েছিল। ভোটে কোভিডবিধির প্রেক্ষিতে রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বিষয়টি বুঝে নেন নির্বাচন কমিশনের এই কর্তা। মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বরাষ্ট্রসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রর সঙ্গে কথা বলেন সুদীপ। বৈঠকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার ভোট বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল।

উল্লেখ্য, আগামী ১৫ জানুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, তার আগে ডেপুটি কমিশনার এসে সেই বিষয়টি নিয়েই পর্যালোচনার করবেন। গত মাসে এসে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে একাধিক নির্দেশ দিয়েছিলেন সুদীপ। সেই নির্দেশ কতটা কার্যকর হয়েছে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখবেন তিনি।

করোনার আবহে রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তাই বিহারের মডেলে ভোট করাতে বুথ পিছু একজন স্বাস্থ্যকর্মী রাখার প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আশাকর্মীদের ব্যবহার করা যায় কি না, সে ব্যাপারে আলোচনাও চলছে। গত বার ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন কলকাতা সফরে এসে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। রাজ্যে ‘প্যারা মেডিক্যাল স্টাফ’ কত, তা নিয়ে স্বাস্থ্যসচিবের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রীর আভাস, বাংলায় বিজেপি এলেই ‘লাভ জিহাদ’ বিরোধী আইন চালু!

নবান্নের কর্তারা জানাচ্ছেন, নির্বাচন কমিশনই ভোটের কাজে অস্থায়ী কর্মীদের ব্যবহার করতে চায় না। আশাকর্মীরা অস্থায়ী। তাই এ ব্যাপারে কমিশনকেই সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। রাজ্যে বর্তমানে ৭৮ হাজার ৯০৩টি বুথ রয়েছে। ভোট গ্রহণ কেন্দ্র ৫৩ হাজার ৫০৩। বিহার মডেলে ভোট করতে হলে বুথ পিছু এক হাজারের বেশি ভোটার রাখা যাবে না। তা করতে হলে খসড়া ভোটার তালিকা অনুযায়ী ২৮ হাজার ১৯৩টি অক্সিলিয়ারি বুথ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে বুথের সংখ্যা এক লক্ষ ছাপিয়ে যাবে।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।






Source link