vishta project: ‘জল্পনা’ বনাম বাস্তব বোঝাতে মরিয়া কেন্দ্র – opponents criticize the vista project during covid time

Share Now





হাইলাইটস

  • করোনা অতিমারীর সময় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নে মন না দিয়ে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টে টাকা ঢালতে ব্যস্ত সরকার- এই অভিযোগ নানা মহল থেকে উঠেছে।
  • কেন্দ্রীয় এই প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দেশে-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।
  • ২০,০০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার আবেদন পৌঁছেছে আদালতেও।

নয়াদিল্লি: করোনা অতিমারীর সময় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নে মন না দিয়ে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টে টাকা ঢালতে ব্যস্ত সরকার- এই অভিযোগ নানা মহল থেকে উঠেছে। কেন্দ্রীয় এই প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দেশে-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।

২০,০০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার আবেদন পৌঁছেছে আদালতেও। দিল্লি হাইকোর্ট এই প্রকল্পকে ‘গুরুত্বপূর্ণ ও দরকারি’ বলে কাজ বন্ধের আর্জি ফেরালেও সুপ্রিম কোর্টে ঝুলছে মামলা। বিরোধী শিবির প্রায়ই বলে, এই বিপুল টাকা নিয়ে সৌন্দর্যায়ন ও নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ না করে সরকার ৬২ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ কিনলে দেশ করোনা মোকাবিলায় অনেকটা এগিয়ে যেতে পারত। জবাবে কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রী সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টের গুরুত্ব বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তাতে সমালোচনা থামেনি। এ বার রীতিমতো কল্পনা বনাম বাস্তবের খসড়া বানিয়ে সেন্ট্রাল ভিস্তা নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরল কেন্দ্রীয় সরকার।

মোদী সরকারের দাবি, করোনা কালে এই প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, এই প্রজেক্টের পরিকল্পনা হয়েছিল ২০১৯-এর সেপ্টেম্বরে, ভারতে কোভিড-ঢেউ আসার অনেক আগে। তাছাড়া, ২০ হাজার কোটি টাকার এই প্রজেক্ট প্রায় ছ’বছর ধরে চলবে, যার অধীনে একাধিক উন্নয়ন ও পুর্নউন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমার, সুমিত্রা মহাজন এবং বর্তমান স্পিকার ওম বিড়লাও নতুন সংসদ ভবনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন, ফলে এই প্রজেক্ট অর্থের অপচয় নয়, প্রয়োজনীয় একটি প্রকল্প।

ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা! দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ৩০ যাত্রী
খরচ প্রসঙ্গ সরকারের দাবি, জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিয়ে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে স্বাস্থ্যখাতে ১৩৭ শতাংশ বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে সরকার। সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্ট আচমকা বন্ধ করে দিলে নির্মাণকর্মীরা কাজ হারাবেন, তা ছাড়া পরে প্রকল্পের কাজ শেষ করাতে গেলে মূল্যবৃদ্ধির কারণে খরচ আরও বেড়ে যাবে বলে দাবি সরকারের। পুরোনো সংসদ ভবনকে সারাই না করে কেন নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজন হলো, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছে সরকার। তাদের দাবি, ১৯৭৬ সাল থেকে লোকসভার সদস্যসংখ্যা ৫৫২। বর্তমান জনসংখ্যার বিচারে ২৫ লক্ষ নাগরিক পিছু একজন জনপ্রতিনিধি। সরকারপক্ষের বক্তব্য, গণতন্ত্রকে মজবুত করতে প্রতিনিধি সংখ্যা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। আর প্রতিনিধি সংখ্যা বাড়লে পুরোনো নকশায় তৈরি সংসদে ভবনে তাঁদের জায়গা দেওয়া সম্ভব নয়।

কোভ্যাক্সিনের থেকে কোভিশিল্ডের অ্যান্টিবডি বেশি! নয়া গবেষণায় চাঞ্চল্য
সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টের ক্ষেত্রে বার বারই উঠে এসেছে গাছপালা এবং হেরিটেজ ভবন ধ্বংসের অভিযোগ। কেন্দ্রের কিন্তু স্পষ্ট বক্তব্য, এই প্রজেক্টের কারণে কোনও গাছ কাটা পড়বে না। কিছু গাছকে বদরপুরের ইকো-পার্কে প্রতিস্থাপিত করা হবে। বরং সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্ট শেষ হলে রাজধানীর সবুজ আচ্ছাদন আরও বাড়বে। ইন্ডিয়া গেট, নর্থ-সাউথ ব্লক-সহ হেরিটেজ ভবনগুলির কোনও ক্ষতি হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছে সরকার।






Source link