Top Three Bengali Serial Actresses According To Trp Rating Of 20th Week – Bengali TV Serial: দর্শকের মনের সিংহাসনে রাজত্ব বিস্তার কোন টেলি নায়িকার! | Eisamay

Share Now





বৃহস্পতিবার মানেই টেলিভিশন রেটিং পয়েন্টের দিন। দর্শকরা কোন অভিনেতা-অভিনেত্রীকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করছেন, তা বোঝা যায় ধারাবাহিকের রেটিং দেখে। শেষ কিছু সপ্তাহের রেটিং বলছে, বাংলা টেলিভিশনে আবারও পালাবদল ঘটে গিয়েছে। ২০ নম্বর সপ্তাহে প্রথম-দ্বিতীয়-তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে ধারাবাহিক ‘মিঠাই’, ‘অপরাজিতা অপু’ আর ‘যমুনা ঢাকী’। সে কারণেই টেলিভিশনের অভিনেত্রীদের মধ্যে এখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে সৌমিতৃষা কুণ্ডু, সুস্মিতা দে আর শ্বেতা ভট্টাচার্য।

দু’ মাসের বেশি সময় ধরে এক নম্বর ধারাবাহিকের প্রধান মুখ হয়ে কেমন লাগছে সৌমিতৃষার? তাঁর উত্তর, ‘শুটিং ইউনিটের প্রত্যেক সদস্যের পরিশ্রমের ফল এটা। ভালো কাজ না করলে এমন ভালোবাসা পাওয়া যায় না। তবে আমি মনে করি, আজ এক নম্বর জায়গা আছে। কাল দুই বা তিন নম্বর জায়গা হতে পারে। কিন্তু দর্শকের ভালোবাসার তীব্রতা যেন না কমে’। ‘মিঠাই’ যখন লঞ্চ হয় বিপরীতে ছিল ‘মোহর’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিক। প্রতিযোগিতা অনুভব করতেন? অভিনেত্রীর বক্তব্য, ‘এটা শুনতাম যে, এই স্লটটায় আমাদের সেরা হওয়া লক্ষ্য। ভাবতাম দেখা যাক। মন দিয়ে কাজ করি। বাকিটা ঈশ্বরের হাতে। তারপর এক নম্বর হলাম আমরা। কিন্তু মোহর-শঙ্খ জুটিকে আজও দর্শক ভীষণ ভালোবাসেন। সিড-মিঠাই জুটিও ভালোবাসা পাচ্ছে। সবাই মিলেমিশে থাকলে ক্ষতি কী!’ বারাসাতের মেয়ে সৌমিতৃষা এখন কাজের সূত্রে কলকাতায়। স্নাতক পর্যায়ে ইংরেজির তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। এর আগে পাঁচটি ধারাবাহিকে কাজ করেছেন তিনি। প্রধান মুখ হিসেবে ‘মিঠাই’ তাঁর দ্বিতীয় ধারাবাহিক। সৌমিতৃষার মনের মানুষকে খুঁজে বের করার জন্যও ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক চর্চা হয়। তবে অভিনেত্রীর দাবি, তিনি এখনও জীবনসঙ্গীকে খুঁজে পাননি। টলিপাড়ার পার্টি বা আড্ডা থেকে দূরে থাকতে ভালোবাসেন? ‘আমি কোনও পার্টিতেই থাকি না। পরিবার আর নির্দিষ্ট কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে শুধু দেখা করি। শুটিংয়ের পর বাড়ি গিয়েও শট নিয়ে ভাবি। এমনকী স্নানের সময়ও কাজের কথা ভাবি। পারফেকশনিস্ট হলে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়’, হাসেন সৌমিতৃষা।

‘অপরাজিতা অপু’-র সুস্মিতার প্রথম ধারাবাহিক এটা। তাঁর স্বীকারোক্তি, ‘মাত্র ছ’ মাস কাজ করছি। প্রথম দিকে প্রায় কিছুই জানতাম না। এখনও সংলাপ ভুলে গেলে পরিচালক ধরিয়ে দেন। প্রযোজক-পরিচালকের কাছে সত্যিই কাজ শিখতে পারছি’। আসানসোলের মেয়ে সুস্মিতা ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছেন। কিন্তু বরাবরই তাঁর অভিনয় করার ইচ্ছা। এখন টালিগঞ্জে থাকেন মা’র সঙ্গে। প্রতিদিন শুটিং আর বাড়ি, এর মধ্যেই আটকে রাখেন নিজেকে। তাঁর কি মনে হয় টলিউডের বিভিন্ন পার্টি বা প্রিমিয়ারে না গেলে প্রযোজক-পরিচালকরা চিনবেন না, সে কারণে থমকে যাবে কেরিয়ার? সুস্মিতা একটু ভেবে বলেন, ‘আমি ইন্ট্রোভার্ট। ভালো কাজ পাওয়ার জন্য টলিউডে সকলের সঙ্গে পরিচয় করা জরুরি বলে মনে করি না। আমার কাজ দর্শক দেখছেন, ভালোবাসছেন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়’। তাঁর বয়ফ্রেন্ড কে? সেটা সিক্রেট। টেলিভিশনের রেটিং-যুদ্ধ কতটা উপভোগ করেন? সুস্মিতা হেসে জবাব দেন, ‘রেটিং আসার আগের দিন থেকে আমি ভাবি কখন রেটিং আসবে। কিন্তু যদি ভুলে যাই, সেই সপ্তাহেই ভালো রেটিং আসে। তাই এখন ভুল যাওয়ার চেষ্টা করি!’
আরও পড়ুন: Bengali TV Serial: ওয়ার্ক ফ্রম হোম মোডে এবার আপনার প্রিয় টেলি তারকারাও!
Bengali TV Serial: ফেডারেশনের চোখ রাঙানিকে বুড়ো আঙুল প্রযোজকদের!
Bengali TV Serial: দর্শক মনে ফের রাজত্ব বিস্তার করলেন রানিমা, মিঠাইও কারও থেকে পিছিয়ে নেই!

‘যমুনা ঢাকী’-র শ্বেতা আবার বলছেন, ‘আমাদের ধারাবাহিক প্রথম থেকেই ভালো রেটিং দিয়েছে। মাঝে একটু রেটিং পড়েছিল। বিরোধী চ্যানেলের ‘খড়কুটো’ তখন এক নম্বর জায়গা পেয়েছিল। সে সময় নিজেকে বলতাম, আমাদের হারানো রেটিংটা আবার ফিরে পেতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার অনুরাগীরা যখন অন্য ধারাবাহিকের পিছিয়ে পড়া উদ্‌যাপন করেন, তখন আমি বারণ করি’। দমদম ক্যানটনমেন্টের বাসিন্দা শ্বেতা কয়েকটি বাংলা ধারাবাহিকের পাশাপাশি হিন্দি ধারাবাহিকে কাজ করেছেন। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃত্যে এমএ পাস করেছেন। এত বছর টলিপাড়ার অংশ হওয়ার পরও কেন পার্টিতে দেখা যায় না তাঁকে? শ্বেতার উত্তর, ‘বেশি মানুষের মাঝে আমি বোকা হয়ে যাই। পার্টিতে যাওয়া, সুরা পান করা, এগুলোতে আমি অভ্যস্ত নই। বাবা-মা অনেক কষ্ট করে বড় করেছেন আমাকে। নুন-ভাত খেয়েও দিন কেটেছে। এখন যা অর্থ উপার্জন করছি, তা দিয়ে বাবা-মা’কে ভালো রাখাটাই একমাত্র লক্ষ্য। এ সব যাঁরা পছন্দ করেন, আমি কিন্তু তাঁদের বিরোধিতা করছি না’। শ্বেতার মনের মানুষের সঙ্গে ছবিও ভাইরাল নয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এক কথায় প্রচারের আলো কেডে় নিতে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী যা যা করেন, তার চেয়ে সামান্য হলেও আলাদা এঁদের জীবনযাত্রা। তাতে কিন্তু দর্শকের ভালোবাসা পেতে কোনও সমস্যা হচ্ছে না!

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।






Source link