terror attack threat: ‘২৬/১১- ধাঁচে হামলা হবে’, NIA-কে হুমকি ফোন ঘিরে তুঙ্গে গোয়েন্দা তৎপরতা – terror attack threat phone call to nia office, police on alert

Share Now





হাইলাইটস

  • সূত্রের খবর, স্লিপার সেল মারফৎ আগ্নেয়াস্ত্র, বুলেট চোরাপথে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ও নেপাল হয়ে ঢুকে গিয়েছে এদেশে
  • NIA-এর দফতরে হুমকি ফোন ঘিরে শোরগোল।
  • হুমকি ফোনকলের সত্যতা জানতেও পুলিশ ব্যস্ত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)-এর দফতরে হুমকি ফোন ঘিরে শোরগোল। সূত্রের খবর, ফের ২৬/১১-এর মুম্বই হামলার ধাঁচে হামলা হতে পারে ভারতে, এমনই একটি হুমকি ফোনে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, চলতি মাসেই NIA-এর দিল্লি দফতরে এই হুমকি ফোন আসে। প্রকাশ সরকার নাম জানিয়ে, এক ব্যক্তি বলেন, ২৬/১১-এর ধাঁচে ফের হামলা হবে। বড়সড় IID বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এই হামলা চালানো হতে পারে। এ জন্য নাকি স্লিপার সেল মারফৎ আগ্নেয়াস্ত্র, বুলেট চোরাপথে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ও নেপাল হয়ে ঢুকে গিয়েছে এদেশে। ফোনে বলা হয়, পাক মদতপুষ্ট কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলা চালানোয় মদত দিতে পারে।

সূত্রের দাবি, হুমকি ফোনের পরেই তৎপর হয়ে ওঠে গোয়েন্দা দফতর। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে জানা যায়, ফোনটি এসেছে নদিয়ার রানাঘাটের এক বাসিন্দার ফোন নম্বর থেকে। এ ব্যাপারে রাজ্য পুলিশকে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। কে এই প্রকাশ সরকার? আদৌ ওই নামে কারও অস্তিত্ব রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি এই ফোনকলের সত্যতাও জানতেও পুলিশ ব্যস্ত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Yoga Day 2021: যোগাসন করলেন রাষ্ট্রপতি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও
কলকাতা সহ একাধিক বড় শহরকে জঙ্গিরা যে টার্গেট করতে পারে এ খবর আগেই ছিল গোয়েন্দা পুলিশের কাছে। এরই মধ্যে এই হুমকি ফোনে কার্যত ঘুম উড়েছে গোয়েন্দাদের।

প্রসঙ্গত, ২৬/১১-এর হামলা ভারতের ইতিহাসে অভিশপ্ত অধ্যায়। পাক সন্ত্রাসবাদী জঙ্গি হামলায় রক্তে ভিজে গিয়েছিল মুম্বইয়ের মাটি। আজমল কাসব ও তার সঙ্গী জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল ১৬৪ জনের। আহত হন কমপক্ষে ৩০৮ জন।

কাশ্মীরে সেনার বড় সাফল্য, শীর্ষ কমান্ডার সহ নিকেশ ৩ লস্কর জঙ্গি
পাকিস্তান থেকে আরব সাগর হয়ে মুম্বইয়ে ঢুকে ১০টিরও বেশি জায়গায় হামলা চালায় জঙ্গিরা। ছত্রপতি শিবাজী টার্মিনাস, ওবেরয় ট্রাইডেন্ট, তাজ হোটেল, লিওপোল্ড ক্যাফে, কামা হাসপাতাল, নরিম্যান হাউস, ইহুদি কমিউনিটি সেন্টার, টাইমস অফ ইন্ডিয়া ভবন ও সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের পিছনের একটি গলি, মাজাগাঁও ও ভিলে পার্লের একটি ট্যাক্সির মধ্যেও বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল জঙ্গিরা। যার জেরে কেঁপে গিয়েছিল সারা পৃথিবীই। শেষ পর্যন্ত ‘ব্ল্যাক টর্নেডো’ অপারেশন করে খতম করা হয় জঙ্গিদের।






Source link