Sundarlal Bahuguna: করোনা প্রাণ কাড়ল চিপকো আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সুন্দরলাল বহুগুনার – chipko movement founder sundarlal bahuguna dies of covid

Share Now





হাইলাইটস

  • প্রয়াত চিপকো আন্দোলনের (Chipko Movement) প্রতিষ্ঠাতা পরিবেশবিদ সুন্দরলাল বহুগুনা
  • সুন্দরলাল বহুগুনার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
  • ১৯৭০ সালে সুন্দরলালের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল বহু চর্চিট চিপকো আন্দোলন।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত চিপকো আন্দোলনের (Chipko Movement) প্রতিষ্ঠাতা পরিবেশবিদ সুন্দরলাল বহুগুনা (Sundarlal Bahuguna)। বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। সম্প্রতি তাঁর শরীরে থাবা বসায় মারণ ভাইরাস। গত ৮ মে তাঁকে হৃষিকেশের AIIMS হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তাঁর কোভিড নিউমোনিয়া ধরা পড়ে বলে খবর। বৃহস্পতিবার রাত থেকে তাঁর অক্সিজেন লেভেন দ্রুত পড়তে শুরু করে। তাঁকে সাময়িক বাইপ্যাপ ভেন্টিলেশনে স্থানান্তিরত করা হয়। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। হাসপাতালেই শুক্রবার জীবনাবসান হয় জনপ্রিয় এই পরিবেশবিদের।

সুন্দরলাল বহুগুনার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লিখেছেন, ‘সুন্দরলাল বহুগুনার প্রয়াণ একটা বড় ক্ষতি। প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের বেঁচে থাকার নীতি তৈরি করেছিলেন তিনি। তাঁর সরলতা কখনই ভোলা যাবে না।’ শোকজ্ঞাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। রাষ্ট্রপতি লেখেন, ‘সুন্দরলাল বহুগুণার প্রয়াণে একটা গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তি হল। পদ্মবিভূষণ এই ব্যক্তি গান্ধীবাদী ছিলেন। তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।’
‘নমামি গঙ্গে’ কলুষিত, গঙ্গায় কোভিড মৃতদেহ ফেলা নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী
১৯৭০ সালে সুন্দরলালের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল বহু চর্চিট চিপকো আন্দোলন। নর্মদা বাঁচাও, নিয়মগিরি আন্দোলনের পাশাপাশি ভারতবর্ষে ইকলজিসম বিষয়টি প্রচারে আসে এই চিপকো আন্দোলনের মাধ্যমে। গান্ধীজির পথ অনুসরণকারী এই কিংবদন্তি পরিবেশবিদ গাড়োয়াল হিমালয়ের কোলে গাছ বাঁচানোর তাগিদে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। গাছ কাটার প্রতিবাদে গড়ওয়াল হিমালয়ের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে মহিলাদের দেখা গিয়েছিল জঙ্গলের গাছ জড়িয়ে প্রতিবাদ করতে। ১৯৮০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি তেহরী বাঁধ নির্মাণের বিপক্ষেও প্রতিবাদ করেন। ১৯৭৪ সালে সরকারের বন নীতির প্রতিবাদে তিনি দুই সপ্তাহ উপবাস করেছিলেন। সেই বছর রেনি গ্রামের কাছাকাছি গাছ কাটার বিরুদ্ধে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে ওঠে। গ্রামের মানুষদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নাম করে গ্রামের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। চিপকো আন্দোলনের ফলস্বরূপ সরকার ১৯৮০ সালে পরবর্তী ১৫ বছরের জন্য হিমালয়ের পাহাড়ি অঞ্চলে গাছ কাটার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সেই সময় তাঁকে ‘হিমালয়ের রক্ষক’-এর তকমা দেওয়া হয়।

২০০৯ সালে সুন্দরলাল বহুগুনাকে ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত হন তিনি।

দেশের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।






Source link