school girl gangraped and murdered: এবার জলপাইগুড়ি, গণধর্ষণের পর খুন! কিশোরীর দেহ মিলল সেপটিক ট্যাংকে – school girl gangraped and murdered by locals in jalpaiguri, police arrested 3

Share Now





হাইলাইটস

  • ভয়াবহ ঘটনা উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে।
  • ওই ঘটনায় ইতোমধ্যে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
  • মৃত কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ভয়াবহ ঘটনা উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে। এক কিশোরী গণধর্ষণের পর খুন করে দেহ সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে। ওই ঘটনায় ইতোমধ্যে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে, গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে, নাকি কেবলই খুন করে দেহ সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে ফেলে দেওয়া হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এদিন মৃত কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায় এবং তৃণমূলের এসসি-এসটি-ওবিসি সেলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস।

স্থানীয় সূত্র খবর, গত ১০ অগস্ট সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ওই কিশোরী। তারপর থেকেই তাঁর আর কোনও খোঁজ মিলছিল না। গোটা রাত তাঁর কোনও খোঁজ না পেয়ে এরপর কিশোরীর পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা করা হয়। তদন্তে নেমেই অবশ্য সাফল্য পায় পুলিশ। ঘটনার কিনাড়া করতে সমর্থ হয় তাঁরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তে নেমে প্রথমে এক স্থানীয় এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জেরা করে পুলিশ আরও দুজনের খোঁজ পায়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পুলিশি জেরার মুখে ওই কিশোরীকে একাধিক বার ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে তাঁরা। শুধু তাই নয়, লাগাতার পাঁচদিন গণধর্ষণের পর গত ১৫ অগস্ট কিশোরীকে খুন করে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে দেহ ফেলে দেওয়ার কথাও স্বীকার করে অভিযুক্তরা। তাদের থেকে শুনে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্তদের নিয়ে জলপাইগুড়ির প্রধানপাড়ার একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়। এদিন দোষীদের উচিৎ শাস্তির দাবিতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভও দেখান সাধারণ মানুষ। অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবিতে সরব হয়েছে তৃণমূলও।

আরও পড়ুন: ‘প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা স্থিতিশীল, তবে আছেন ভেন্টিলেটরেই’

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে উত্তরবঙ্গেরই উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, চোপড়া থানার সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চতুরাগছ এলাকায় এক মাধ্যমিক পড়ুয়াকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছে। গণধর্ষণের পর তাঁকে খুনও করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় জোর কদমে আসরে নামে বিজেপিও। এরপর অবশ্য জানা যায়, কিশোরীর প্রেমিককও মারা হয়েছে। ঘটনা যে গণধর্ষণের পর হত্যা নয়, তা স্পষ্ট হয়ে যায়। সেইসঙ্গে কিশোরীর প্রেমিককে হত্যার দায়ে মেয়েটির বাড়ির লোকেদেরই গ্রেফতার করে পুলিশ।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।






Source link