Madan Mitra and Mamata Banerjee – মন্ত্রী নন বলে মন খারাপ মদনের? বোটে ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছা | Eisamay

Share Now





হাইলাইটস

  • তৃণমূল সরকারের তৃতীয় মন্ত্রিসভায় নাম নেই ‘কামারহাটির মদনদার’।
  • তবে কি সত্যি দলের উপর অভিমান হয়েছে এই নেতার?
  • নতুন মন্ত্রিসভা নিয়েই বা কতটা খুশি মদন মিত্র?

এই সময় ডিজিটাল: একুশের ভোটে প্রচার ময়দান দাপিয়ে বেড়িয়েছিলেন মদন মিত্র। কামারহাটি থেকে জয়ীও হয়েছেন তিনি। কিন্তু তৃণমূল সরকারের তৃতীয় মন্ত্রিসভায় নাম নেই ‘কামারহাটির মদনদার’। রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণ মন্ত্রীকে ফের একবার মন্ত্রিসভায় ফেরাতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জোর গুঞ্জন ছিল এমনটাই। এদিকে মন্ত্রিসভায় মদনের নাম না থাকায় মুচকি হাসছেন বিরোধীরা। BJP-র একাংশের কটাক্ষ, ‘মদন মিত্রের মন খারাপ’। তবে কি সত্যি দলের উপর অভিমান হয়েছে এই নেতার? নতুন মন্ত্রিসভা নিয়েই বা কতটা খুশি মদন মিত্র?

‘এই সময় ডিজিটাল’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই নেতা জানান, ‘এটা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মন্ত্রিসভা হবে। অনেক কষ্ট করে এই জয় এনে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিশ্রম করেছেন অভিষেক। আট দফা নির্বাচনের দরুন রাজ্যে করোনা বেড়ে গিয়েছে। অনেক ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধ করেছেন আমাদের নেত্রী। যাঁরা মন্ত্রী হলেন, সকলকে অভিনন্দন।’ কিন্তু নিজে মন্ত্রী না হতে পারায় কি ক্ষুব্ধ মদন। এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বিরোধীরা তাঁকে একটু বেশিই ভালোবাসে। তাঁর মন খারাপ কী না তা নিয়েও একটু বেশিই ভাবেন। লঞ্চে গেলে তাঁর উপর নজর রাখে। যাঁরা তাঁর ‘মন খারাপ’ নিয়ে এত ভাবছেন তাঁদের লিস্ট পেলে লঞ্চে করে ঘুরতে যাওয়ার কথাও বলেন মদন। অর্থাৎ মন্ত্রিসভায় ঠাঁই না হলেও দলের উপর রাগ অভিমান নেই, খোশ মেজাজেই রয়েছেন তিনি, স্পষ্ট করে দিয়েছেন মদন মিত্র।

‘৩০ হাজার ভোটে নন্দীগ্রামে জিতবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’, মন্তব্য মদনের
প্রসঙ্গত, দোলের দিন গঙ্গাবক্ষে লঞ্চে তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রের সঙ্গে হোলির আনন্দে মাততে দেখা গিয়েছিল BJP-র তিন তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী, পায়েল, তনুশ্রী চক্রবর্তীদের। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এই ঘটনায় পায়েল-শ্রাবন্তীদের তুলোধনা করেছিলেন তথাগত।

‘চমৎকার আছি’, ভোটের দিন বিশেষ বার্তা মদনের
সেই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ফেসবুক পোস্টে এবার তথাগত রায় লেখেন, ‘ পায়েল শ্রাবন্তী তনুশ্রী ইত্যাদি ‘নগরীর নটীরা’ নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন (এবং হেরে ভূত হয়েছেন) তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে ? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কি ?’ শ্রাবন্তী-পায়েলদের রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তা নেই বলেও সরব হয়েছেন তথাগত। সেই সঙ্গে মদন মিত্রকে ‘প্লে বয়’ বলেও বিঁধেছিলেন তিনি। এই আক্রমণের পালটা চুপ থাকেননি মদন মিত্রও। তিনি দাবি করেন, ‘তিনি প্লে বয় নয়, লাইফ বয়। তিনি মানুষকে জীবন দেন। এবার থেকে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলে কিছু নেই। যা কিছু রয়েছে সব মানুষের।’






Source link