lockdown news: আংশিক লকডাউনেই করোনা-বধ চান মোদী – covid 19 update pm narendra modi discusses about partly lockdown in a high level meeting

Share Now





হাইলাইটস

  • দেশের শীর্ষস্থানীয় আমলা ও স্বাস্থ্যকর্তাদের সামনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তীরে এসে তরী ডোবানো চলবে না
  • টা দেশে লকডাউন না-করে কী ভাবে করোনা প্রভাবিত রাজ্যে এলাকাভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোন ও আংশিক লকডাউনের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা যায়, তারই রাস্তা খোঁজার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রী মনে করছেন, গত বছর গোটা দেশে লকডাউন জারি করে করোনার প্রকোপ রোখার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাওয়া গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু দেশবাসীর রুটি-রুজির উপর তার প্রভাব পড়েছে যথেষ্ট

এই সময়, নয়াদিল্লি ও কলকাতা: গত বছর সর্বাধিক সংক্রমণের দিনে করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ৯৮,৭৯৫ (১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০)। দ্বিতীয় দফার সংক্রমণের জেরে এখনই সেই সংখ্যা প্রায় হাতের নাগালে!

রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত ৯৩,২৪৯ জন, মৃত্যু হয়েছে ৫১৩ জনের। বাংলায় আক্রান্ত হয়েছেন ১,৯৫৭ জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, দৈনিক সংক্রমণের ৮০.৯৬ শতাংশই মহারাষ্ট্র, ছত্তিসগড়, কর্নাটক, দিল্লি, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাট- এই আট রাজ্য থেকে। শুধুমাত্র মহারাষ্ট্র থেকেই প্রায় ৬০ শতাংশ সংক্রমণের খবর এসেছে, মুম্বইয়ে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১১,০০০ জন।

এই অবস্থায় রবিবার দেশের শীর্ষস্থানীয় আমলা ও স্বাস্থ্যকর্তাদের সামনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তীরে এসে তরী ডোবানো চলবে না। সূত্রের খবর, গোটা দেশে লকডাউন না-করে কী ভাবে করোনা প্রভাবিত রাজ্যে এলাকাভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোন ও আংশিক লকডাউনের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা যায়, তারই রাস্তা খোঁজার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

কেন পুরো লকডাউন নয়?

প্রধানমন্ত্রী মনে করছেন, গত বছর গোটা দেশে লকডাউন জারি করে করোনার প্রকোপ রোখার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাওয়া গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু দেশবাসীর রুটি-রুজির উপর তার প্রভাব পড়েছে যথেষ্ট। এই অবস্থায় বছর ঘুরতে না-ঘুরতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আবার যদি লকডাউন ঘোষণা করতে হয়, তা হলে দেশের অর্থনীতিকে আর চাঙ্গা করা যাবে না, এমনটাই আশঙ্কা মোদীর। তাঁর মতে এই অবস্থায় সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ‘জন- আন্দোলন’ ও ‘জন-ভাগিদারি’, যেখানে দেশের মানুষই করোনা প্রতিরোধক নিয়মাবলি মেনে লড়াই করবেন৷ তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশে বিশেষ প্রচার-অভিযান করবে কেন্দ্র, যেখানে ১০০ শতাংশ মাস্কের ব্যবহার ও সুরক্ষাবিধি পালনের উপরে জনসচেতনতা বাড়ানোর কাজ করা হবে৷ কাল, মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে সাত দিনের এই প্রচার৷

করোনা রুখতে সপ্তাহান্তে লকডাউন, জারি নাইট কার্ফু
রবিবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব প্রমোদ কুমার মিশ্র, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ, নীতি আয়োগের সদস্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ভি কে পল, আইসিএমআর ডিজি বলরাম ভার্গব সহ শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য আমলারা৷ করোনার বেশি প্রকোপ থাকা রাজ্যগুলিতে কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উপযোগী স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরির উপরে এদিন আরও একবার জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ এই ক্ষেত্রে স্থানীয় স্তরে যাতায়াত ও যানবাহনের উপরে নিষেধাজ্ঞা, এলাকাভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যাবৃদ্ধি এবং করোনা প্রতিরোধক অন্যান্য সতর্কতা গ্রহণের পাশাপাশি আরটিপিসিআর টেস্টের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি৷ পাশাপাশি, করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অবিলম্বে স্থানীয় হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ বেড এবং অক্সিজেনের জোগান বাড়ানোর উপরেও জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।






Source link