Kangana Ranaut Bodyguard Arrested On Charges Of Cheating A Woman After Promising Marriage To Her – প্রেমিকাকে প্রতারণা! গ্রেফতার Kangana Ranaut-এর দেহরক্ষী | Eisamay

Share Now





এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে গ্রেফতার করা হল অভিনেত্রী Kangana Ranaut-এর দেহরক্ষীকে। জানা গিয়েছে কর্নাটকে তার গ্রাম থেকেই গ্রেফতার হয়েছে কুমার হেগড়ে (Kumar Hegde)। এক মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে ঠকানোর অভিযোগে শনিবার মান্ডিয়ার হেগ্গাদাহালি থেকে মুম্বই পুলিশ কুমার হেগড়েকে গ্রেফতার করে।

বিতর্কের রানি Kangana Ranaut মানালি পৌঁছে এ কী করলেন!
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার পর কুমার পালিয়ে আসে তার গ্রামে। অভিযুক্তর বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর-এ দাবি করা হয় ২০২০ সালের জুন মাসে ওই মহিলাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেয় কুমার হেগড়ে। কুমারকে বিশ্বাস করে তার সঙ্গে লিভ-ইন করাও শুরু করেন অভিযোগকারিনী। গত আট বছর ধরে একে অপরকে চিনতেন তাঁরা। মহিলার বক্তব্য, শুরুতে শারীরিক সম্পর্কে তিনি রাজি ছিলেন না। কিন্তু তাঁকে নানাভাবে বুঝয়ি একপ্রকার জোর করেই সম্পর্ক স্থাপন করে Kumar Hegde। এখানেই শেষ নয়, মায়ের অসুস্থতার কথা শুনিয়ে তাঁর থেকে ৫০ হাজার টাকা ধারও নেয় Kangana Ranaut-এর এই দেহরক্ষী। তারপর থেকেই বেপাত্তা ছিল সে।

Covid19 স্মল টাইম ফ্লু! Kangana Ranaut-এর বিতর্কিত মন্তব্য ডিলিট করল Instagram

অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী বাংলায় হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে সরাসরি বলিউড কুইনের নামে উল্টোডাঙা থানায় এফআইআর দায়ের করেন তৃণমূলের মুখপাত্র ঋজু দত্ত। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর, বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দেওয়ার মতো অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে এফআইআর-এ।

সম্প্রতি একের পর এক বির্তকিত মন্তব্যের জেরে টুইটার থেকে আজীবনের মতো নির্বাসিত হন কঙ্গনা কিন্তু তাতেও বন্ধ হয়নি তাঁর বিস্ফোরক পোস্ট। টুইটার বন্ধ হওয়ায় এবার হাতিয়ার ইনস্টা। অভিযোগ, নিজের ইনস্টা অ্যাকাউন্টে বাংলার ভোট সংক্রান্ত কিছু ছবি ও পোস্ট তিনি করেন যাঁকে বিদ্বেষমূলক ও উস্কানিমূলক বলে দাবি তুলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই নেটিজেনদের তরফেও অনেকে ওই ছবি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে অ্যাকাউন্টটি রিপোর্ট করেছেন।

এখানেই শেষ নয়, তাঁর ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার পর একটি বিবৃতিতে কঙ্গনা রানাওয়াত (Kangana Ranaut) জানিয়েছেন, ‘ট্যুইটার আরও একবার প্রমাণ করে দিল তারা আগে মনে প্রাণে মার্কিনি। আর সাদা চামড়ার মানুষদের প্রবণতাই হল যেভাবেই হোক আমাদের মতো মানুষদের তাদের পায়ের তলায় রাখা। তারা মনে করে আমাদের ভাবনা চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে। আমরা কী ভাবব, কী বলব সবটার উপরেই বাধানিষেধ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তারা। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমার কাছে আরও অনেক মাধ্যম রয়েছে আমার বক্তব্য প্রকাশ করার। তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী আমার কর্মক্ষেত্র। কিন্তু আমি ব্যথিত আমার দেশের সেই সব মানুষের কথা ভেবে যাদের কয়েক হাজার বছর ধরে দাস বানিয়ে রাখা হয়েছে। আজও তাঁদের যন্ত্রণার কোনও শেষ নেই।’

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।






Source link