financial struggle of shah rukh khan: Bollywood-এর যে ৪ সুপারস্টার হারিয়েছিলেন সর্বস্ব! – bollywood superstars shah rukh khan, amitabh bachchan, akshay kumar opened up about their financial struggles

Share Now





আজ তাঁরা সুপারস্টার। দেশে এবং বিদেশে একাধিক সম্পত্তির মালিক। ফোর্বস-এর তালিকায় প্রথম দশে নাম থাকে তাঁদের। নেট ওয়র্থ পেরিয়ে যায় কয়েকশো মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু জানেন কি সহজে এই জায়গায় পৌঁছাতে পারেননি Bollywood-এর চার তারকাকে জীবনে দেখতে হয়েছে একাধিক কঠিন সময়ে। সর্বহারা হওয়ার দুর্দিনও এসেছে। কিন্তু তাঁরা ভয় পাননি। বরং ভরসা রেখেছেন নিজেদের দক্ষতায়। আর তাই তো আজ এই বলিউড সুপারস্টাররা রাজত্ব করেন পর্দায় এবং পর্দার বাইরেও। পথের রাজা থেকে রাজপ্রাসাদে পৌঁছানোর এই সফরনামা নিয়ে তাঁদের মধ্যে কোনও অস্বস্তি বা দ্বিধা নেই। বরং তাঁরা সগৌরবে জানান স্ট্রাগলের সেই সব দিনের কথা। কারা রয়েছেন এই তালিকায়? দেখে নিন এক ঝলকে…

​শাহরুখ খান

তিনি কিং খান। কিন্তু একদিনে এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছাননি Shah rukh Khan। ছিল না কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স। দিল্লির এক অতি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের এই ছেলে মুম্বই এসেছিল চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে। ছিল অদম্য জেদ। দিল্লি থেকে মুম্বই আসার সময়ে সঙ্গী ছিলেন আরও তিন বন্ধু। হোটেলে থাকা তো দূরের কথা, খাওয়ার টাকা পর্যন্ত ছিল না। রাতে ঘুমাতেন তত্‍কালীন ওবেরয় হোটেলের বাইরের ফুটপাথে। সকাল বেলা টয়লেট করতে ঢুকে যেতে হোটেলের ভিতরে, ভাব দেখাতেন যেন তাঁরা হোটেলের গেস্ট। দিল্লি ফেরার জন্যে নিজের সাধের পেনট্যাক্স ক্যামেরাটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন মাত্র ১৫০০ টাকায়।

​অক্ষয় কুমার

ছোট থেকেই মার্শাল আর্টস শিখেছিলেন। প্রথম থেকেই ফিটনেস নিয়ে খুব খুঁতখুঁতে Akshay Kumar। লড়াইয়ের শুরুর দিনগুলিতে এই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। ব্যাংককে থাকার সময়ে স্ট্রিট ফাইটিং করে রোজগার করতেন। সেই সময়ে অনেক মারও খেয়েছিলেন। কিন্তু অক্ষয়ের নিজের জবানিতে, সেই সময়ে উপার্যনের এর চেয়ে ভালো উপায় তাঁর কাছে ছিল না।

​অমিতাভ বচ্চন

ABCL সংস্থার পাহাড়প্রমাণ দেনার দায়ে সর্বস্ব হারিয়েছিলেন Amitabh Bachchan। সেই সময়ে তাঁর নামে ৫৫টি মামলা চলছিল। ৯০ কোটি টাকার দেনা মেটানোর জন্যে নিজের বাড়ি মর্টগেজ রেখেছিলেন বিগ বি। একটি সাক্ষাত্‍কারে বিগ বি নিজেই বলেছিলেন, ‘২০০০ সালে সারা বিশ্ব নতুন শতাব্দীর আগমণের আনন্দে মশগুল ছিল। আমি আমার ভাগ্যের পরিহাস সেলিব্রেট করছিলাম। কোনও ছবি ছিল না হাতে, টাকাপয়সা ছিল না, নিজের হাতে তৈরি করা সংস্থায় তালা পড়েছিল, একরাশ আইনি জটিলতা— সব মিলিয়ে জীবন কঠিন হয়ে উঠেছিল।’ তাঁর এই কঠিন পরিস্থিতিতে হাতে আসে Kaun banega crorepati-র অফার, যা রাতারাতি তাঁর ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

​রাজকুমার রাও

এই মুহূর্তে বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা Rajkummar Rao। কিন্তু শুরুর চিত্রটা এক্কেবারে অন্যরকম ছিল। জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী এই অভিনেতার বলিউডে প্রথম দু’বছর খুবই কঠিন সময়ের মধ্যে কেটেছে। এমনও দিন গেছে যখন হাতে খাবার কেনার টাকা পর্যন্ত থাকত না। বাড়িতে ফোন করতেন। তাঁরা টাকা পাঠালে তবে মুখে কিছু তুলতে পারতেন।






Source link