Covid death: ছেলের সৎকার নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝেই মৃত্যু মায়ের – mother died during the last rites of her son who died in covid19

Share Now





হাইলাইটস

  • বাড়ির ছেলের মৃতদেহ পরে ছিল হাসপাতালে।
  • দু’দিন ধরে মৃতদেহ পরে থাকার পর বৃহস্পতিবার মায়েরও মৃত্যু হল জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।
  • গোটা ঘটনায় শোকস্তব্ধ জলপাইগুড়ির আনন্দপাড়ার বাসিন্দারা।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ির সবাই চিকিৎসাধীন। মৃতদেহ সৎকার করার কেউ নেই। বাড়ির ছেলের মৃতদেহ পরে ছিল হাসপাতালে। এমন অবস্থায় দু’দিন ধরে মৃতদেহ পরে থাকার পর বৃহস্পতিবার মায়েরও মৃত্যু হল জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। অবশেষে জলপাইগুড়ি পুরসভার পক্ষ থেকে ছেলে ও মায়ের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হল শ্মশানে। গোটা ঘটনায় শোকস্তব্ধ জলপাইগুড়ির আনন্দপাড়ার বাসিন্দারা।

জলপাইগুড়ির ওই পরিবার সকলেই করোনা আক্রান্ত। বাড়ির বড় ছেলে করোনা আক্রান্ত হয়ে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন। বাড়িতেই শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন মা ও তাঁর ছোট ছেলে। বাড়িতে ছোট ছেলের বউও করোনা আক্রান্ত। গত মঙ্গলবার মা ও ছেলের শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। সে সময় পুরসভার গাড়ি তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্য গেলে তিনি মারা যান। বাড়ির ছেলের মৃতদেহের সঙ্গে মাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেদিন থেকেই ছেলের মৃতদেহ হাসপাতালেই ছিল। এদিন পুরসভার লোক গিয়ে মৃতদেহ সৎকারের জন্য নিয়ে আসে। এরপর চিকিৎসারধীন অবস্থায় মায়েরও মৃত্যু হয় এদিন।

তাঁরা দু’জনেই করোনা নেগেটিভ হয়ে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এদিন জলপাইগুড়ি পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য সৈকত চট্টোপাধ্য়ায় জানান,আমরা মৃত ছেলে ও তাঁর মায়ের মৃতদেহ জলপাইগুড়ি শ্মশানের সৎকারের ব্যবস্থা করেছি। পুরসভা সব সময় করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে রয়েছে। এমনকি মৃত পরিবারের পাশেই থাকবে এই বার্তাটিই আমি দিতে চাই। শহরে ২১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।ওই বাড়ির আশেপাশে স্যানিটাইজ করা হয়েছে।

আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন প্ল্যান্ট

করোনা সুনামিতে চারিদিকে যখন অক্সিজেনের হাহাকার ঠিক সেই মুহুর্তে অক্সিজেনের জোগান দেওয়ার জন্য অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর কাজ শুরু করল জেলা প্রশাসন। আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালেই অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর কাজ শুরু হয়ে গেল।খুব তাড়াতাড়ি আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল থেকেই রোগীদের পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।






Source link