covid 19 vaccine news: কত দামে পাবেন টিকা? জেনে নিন – covishield to be sold at rs 400 for state governments and rs 600 for private hospitals

Share Now





হাইলাইটস

  • রাজ্য সরকারগুলিকে কোভিশিল্ড দেওয়া হবে ৪০০ টাকায় এবং বেসরকারি হাসপাতালে এই টিকা পাওয়া যাবে ৬০০ টাকায়।
  • কেন্দ্রকে ১৫০ টাকা প্রতি ডোজ মূল্যে কোভিশিল্ড Vaccine সরবরাহ জারি রাখবে সেরাম।
  • সেরাম ইনস্টিটিউটের তরফে জানানো হয়েছে, টিকার ডোজের দাম সাধারণের নাগালের মধ্যেই রাখা হয়েছে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী ১ মে থেকে ১৮ বছর ঊর্ধ্ব সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল কত টাকা হতে চলেছে করোনা টিকার দাম? শেষমেশ টিকার দাম নির্ধারিত করল সেরাম ইনস্টিটিউট। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারগুলিকে কোভিশিল্ড দেওয়া হবে ৪০০ টাকায় এবং বেসরকারি হাসপাতালে এই টিকা পাওয়া যাবে ৬০০ টাকায়। কেন্দ্রকে ১৫০ টাকা প্রতি ডোজ মূল্যে কোভিশিল্ড Vaccine সরবরাহ জারি রাখবে সেরাম।

documents

টিকার দাম

সেরাম ইনস্টিটিউটের তরফে জানানো হয়েছে, টিকার ডোজের দাম সাধারণের নাগালের মধ্যেই রাখা হয়েছে। বিদেশী টিকার থেকে কোভিশিল্ডের দাম অনেক কম। সেরাম ইনস্টিটিউটের CEO আদর পুনাওয়ালা জানান, জুলাই মাসের পর থেকে তাঁর প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক মাসে ১০০ মিলিয়নের বেশি করোনা টিকা তৈরি করতে পারবে। তিনি আরও জানান, উৎপাদিত টিকার ৫০ শতাংশ পাবে কেন্দ্র এবং বাকি ৫০ শতাংশ টিকা দেওয়া হবে রাজ্য সরকার এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে।

১৮ বছরের বেশি বয়সীদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন এই রাজ্যে
উল্লেখ্য, এতদিন বেসরকারি হাসপাতালে গেলে ৫০০ টাকাতেই দু’ডোজ টিকা মিলত। সরকারি হাসপাতালে যা পাওয়া যেত বিনামূল্যে। তবে এবার ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের টিকা নিতে গেলে ৩-৪ গুণ বেশি হতে পারে দাম।যদিও মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘সবচেয়ে সস্তা ভ্যাকসিন ভারতে। সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, এবার খোলাবাজারেও বিক্রি করা যাবে ভ্যাকসিন। ৫০ শতাংশ ভ্যাকসিন খোলাবাজারে বিক্রি করতে পারবে প্রস্তুতকারী সংস্থা। তারা সরাসরি সরবরাহ করতে পারবে রাজ্যকে।

কোভিড সুনামি! একদিনে আক্রান্ত প্রায় ৩ লাখ, রেকর্ড মৃত্যু দেশে
এদিকে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে গোটা দেশ। যে হারে সংক্রমণ বেড়ে চলেছে, তাতে টিকাকরণে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিন অপচয়ের তথ্য সামনে এল। যে তথ্য দেখলে চোখ কপালে উঠবে! তথ্যের অধিকার আইনে (RTI) প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়েছে, ১১ এপ্রিল পর্যন্ত যে বিভিন্ন রাজ্যের টিকা বরাদ্দ করা হয়েছিল, তার ২৩ শতাংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ১০ কোটি ডোজের মধ্যে ৪৪ লাখেরও বেশি ডোজ নষ্ট হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে যেখানে ভ্যাকসিনের ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, সেখানে এই তথ্য ঘিরে নয়া উদ্বেগ শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।






Source link