corona impact on tourism: গণহারে বাতিল বুকিং, দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল পাহাড় – coronavirus impact on tourism: tourists are cancelling their booking in darjeeling

Share Now





হাইলাইটস

  • গত বছর কোভিডের জন্য দীর্ঘ সাড়ে ছ’মাসের উপরে বন্ধ ছিল পাহাড়।
  • করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই আতঙ্কে বড় বড় হোটেল মালিক থেকে শুরু করে পাহাড়ের কোলে থাকা ছোট ছোট হোম স্টে মালিকরা।
  • ৯০ শতাংশ বুকিং বাতিল। বাকি ১০ শতাংশ বুকিং থাকলেও পর্যটকেরা আসবেন কি না তা জানা নেই।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ৯০ শতাংশ বুকিং বাতিল। বাকি ১০ শতাংশ বুকিং থাকলেও পর্যটকেরা আসবেন কি না তা জানা নেই। এই অবস্থায় পাহাড়ের হোটেল, হোম স্টে গুলি বন্ধের মুখে। একই অবস্থা ডুয়ার্সেও। চরম মন্দা পর্যটনে৷ আগামী কয়েক মাসের কথা ভেবে শিউরে উঠছেন ট্যুর অপারেটর থেকে শুরু করে হোটেল মালিক, গাড়ি চালক ও পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহলের মানুষ।

গত বছর কোভিডের জন্য দীর্ঘ সাড়ে ছ’মাসের উপরে বন্ধ ছিল পাহাড়। পুজোর পরেও চেনা ছন্দে উত্তরবঙ্গ ফিরতে সময় নিয়েছিল। দুর্গাপুজোর পর থেকে স্থানীয় ও কলকাতার পর্যটকরা কম বেশি পাহাড়মুখী হয়েছিলেন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই আতঙ্কে ছিল বড় বড় হোটেল মালিক থেকে শুরু করে পাহাড়ের কোলে থাকা ছোট ছোট হোম স্টে মালিকরা। আগের ক্ষত এখনও দগদগে। তার মধ্যে আবার আগের মতো পরিস্থিতি হলে তা সামলানোর সাহস অনেকেরই আর নেই। অবস্থা আবার আগের মতোই হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। দার্জিলিং হোক কার্শিয়াং, কালিম্পংয়ের মানুষজনের ভয় বাড়ছে প্রত্যেকদিন। কারণ আরও অনেকটাই খারাপ পরিস্থিতি দেখতে হতে পারে। করোনার প্রথম পর্বে ঠিক হয়েছিল, পর্যটকেরা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন সেই দায়িত্ব হোটেল ও হোম স্টে মালিকদেরই দেখতে হবে। হয়েও ছিল তাই। কিন্তু পরে অনেকের মধ্যেই গা ছাড়া মনোভাব দেখা যায়।

Covid Helpline Number: জেলায় জেলায় করোনা রোগীরা কোন নম্বরে সাহায্য চাইবেন? জেনে নিন…

এ বছরের মার্চ অবধি পাহাড়, ডুয়ার্সে পর্যটকদের ভিড় হচ্ছিল। যে দিকে তাকিয়ে সকলে ফের আশার আলো দেখছিলেন এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা৷ কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে তছনছ হয়ে যেতে বসেছে সব। গত সাত দশ দিনে দার্জিলিং, কালিম্পং, ডুয়ার্সের ৯০ শতাংশ হোটেল বুকিং বাতিল করে দিয়েছেন পর্যটকেরা। ১০ শতাংশ বুকিং থাকলেও তাঁরা আদৌ আসবেন কি না তা নিয়ে ধন্দে ট্যুর অপারেটররা। হিমালয়ান হসপিট্যালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট স্যান্যাল জানান, যেভাবে আজ পর্যটন শিল্প ক্ষতির মুখে তা বলে ব্যাখা করা যাবে না। উত্তরবঙ্গের কয়েক লক্ষ মানুষ এই পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত৷ এখান থেকে আয়ের মাধ্যমেই তাদের সংসার চলে। ইতিমধ্যেই আমরা পাহাড়ের হোটেল মালিক থেকে শুরু করে সকলের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা করেছি। সমস্ত হোটেল মালিকদের বক্তব্য হোটেল চালানোর জন্যও খরচা উঠছে না। এই অবস্থায় হোটেল বন্ধ করা ছাড়া উপায় নেই। তবে সরকারের এই মানুষদের কথা ভেবে দেখা উচিত বলেও জানিয়েছেন। বিভিন্ন ট্যাক্সে ছাড় দেওয়ার দাবি ইতিমধ্যেই তুলেছেন হোটেল মালিক, গাড়ি মালিক সহ সকলে। এভাবে করোনার প্রভাব চলতে থাকলে সরকারের তরফে ভাতার ব্যবস্থা না করলে শেষে না খেতে পেয়ে মারা যাওয়ারও উপক্রম হবে বলে দাবি করছেন তাঁরা।

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।






Source link