bison enters village: খাবারের খোঁজে ফের চাষ জমিতে দাপিয়ে বেড়াল ৩টি বাইসন – bison enters village in cooch behar west bengal

Share Now





হাইলাইটস

  • এদিন সকালে হঠাৎই দ্বারিকামারির একেবারে লোকালয়ে চলে আসে ৩টি বাইসন।
  • গত দু-মাসে বারবার বাইসন হানা দিয়েছে মাথাভাঙাতে৷ গত ১৬ এপ্রিল মাথাভাঙার সাউদরের বস গ্রামের লোকালয়ে দুটি বাইসন চলে এসেছিল।
  • মাথাভাঙার বনবিভাগের রেঞ্জ অফিসার সজল পাল জানান, চিলাপাতা জঙ্গল থেকে বাইসনগুলি লোকালয়ে এসেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : ফের কোচবিহারের মাথাভাঙায় লোকালয়ে ঢুকে তাণ্ডব চালাল বাইসন। তবে এবার একটি নয়, একসঙ্গে ৩টি বাইসন লোকালয়ে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মাথাভাঙা ২ নম্বর ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের দ্বারিকামারি এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে হঠাৎই দ্বারিকামারির একেবারে লোকালয়ে চলে আসে ৩টি বাইসন। তারপর কৃষিজমিতে রীতিমত দাপিয়ে বেড়ায় তারা। লোকালয়ে আচমকা তিনটি বাইসন একসঙ্গে দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসী। দৌড়াদৌড়ি, চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। অনেক উৎসুক মানুষ আবার বাইসন দেখতে ভিড়ও জমান। এরপর স্থানীয়রাই বন দফতরে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে মাথাভাঙা সহ জেলার বন দফতরের কর্মীরা। কিন্তু ততক্ষণে গা-ঢাকা দিয়েছে বাইসন দল। তারা কোনদিকে যেতে পারে, সে বিষয়ে খোঁজ-খবর শুরু করেছেন বনাধিকারিকরা। মাথাভাঙার বনবিভাগের রেঞ্জ অফিসার সজল পাল জানান, চিলাপাতা জঙ্গল থেকে বাইসনগুলি লোকালয়ে এসেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তাদের গতিবিধি জানার চেষ্টা চলছে। তবে বাইসনগুলিকে উদ্ধার না করা পর্যন্ত আতঙ্কে দ্বারিকামারির বাসিন্দাদের।

অভুক্তদের খাবার তুলে দেওয়া ও সচেতনতার বার্তা দিতে পথে কোচবিহারের রানা

উল্লেখ্য, গত দু-মাসে বারবার বাইসন হানা দিয়েছে মাথাভাঙাতে৷ গত ১৬ এপ্রিল মাথাভাঙার সাউদরের বস গ্রামের লোকালয়ে দুটি বাইসন চলে এসেছিল। পরে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় বন দফতর। এর ১০ দিনের মধ্যে গত ২৮ এপ্রিল মাথাভাঙার দ্বারিকামারিতে লোকালয়ে ঢুকে তাণ্ডব চালায় একটি বাইসন। পরে বাইসনটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বন দফতর। বাইসনের পাশাপাশি গত ২৩ এপ্রিল মাথাভাঙার লতাপাতা গ্রামের লোকালয়ে দেখা যায় একটি হরিণও। পরে গ্রামবাসীদের থেকে খবর পেয়ে বন দফতর সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

সরকারি চাকরিতে রাজি হলেও শাস্তির দাবিতে অনড় শীতলকুচির নিহতের পরিবার
চিলাপাতা বনাঞ্চল থেকেই হরিণ, বাইসনের দল খাবারের খোঁজে লোকালয়ে চলে আসছে বলে মনে করছেন বনাধিকারিকরা। তাঁরা জানান, চিলাপাতা বনাঞ্চলে বাইসনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আর বনাঞ্চল লাগোয়া কৃষিজমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন কৃষকেরা। তাই খাবারের খোঁজে বেরিয়ে বনাঞ্চল ছেড়ে বারংবার লোকালয়ে চলে আসছে বাইসনগুলি। কেবল মাথাভাঙা নয়, আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটাতেও চা বাগান ও কৃষিজমি সংলগ্ন এলাকায় আখছার বাইসনের তাণ্ডব শুরু হয়েছে। এর ফলে চা থেকে ভুট্টা চাষের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনই পরপর বাইসন সহ বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসায় ক্রমে আতঙ্ক বাড়ছে মাথাভাঙার বাসিন্দাদের।






Source link