সরকারি কর্মীদের হাজিরা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা – centre issues new guidelines to regulate attendance in government offices

Share Now





এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারি অফিসের কর্মীদের জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করল সরকার। করোনা সংক্রমণ কমতে বাড়ি থেকে কাজের বদলে কর্মীদের অফিসে আসার নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেক্রেটারির অধীনে কর্মরত সমস্ত অফিসার ও তার উর্ধ্বতন সমস্ত কর্মীদের ১৬ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত প্রতিটি কর্মদিবসে হাজিরা দিতে হবে অফিসে।

তবে ১০০ শতাংশ নয়, ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়েই শুরু হচ্ছে সরকারি অফিসের কাজ। সংক্রমণ এড়াতে অফিসে একই সময় যাতে অত্যাধিক ভিড় না হয়, তার জন্য আলাদা শিফটে কর্মীদের ডাকা কথা বলা হয়েছে। নির্দেশিকাতেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে কর্মীদের শিফট। নয়া নিয়ম অনুসারে প্রথম শিফট সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা, দ্বিতীয় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ৬টা এবং তৃতীয় শিফটে সকাল ১০ থেকে সাড়ে ৬টা অবধি চলবে অফিসের কাজ।

সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর, একলাফে আরও বাড়ছে বেতন

তবে বিশেষভাবে সক্ষম ও গর্ভবতী মহিলারা এই নির্দেশিকার আওতাভুক্ত নন। তারা বাড়ি থেকেই কাজ করতে পারবেন বলে স্পষ্ট করা হয়েছে নির্দেশিকায়। এছাড়া কন্টেইনমেন্ট জোনে থাকা কর্মীদেরও বাড়ি থেকেই কাজ করার কথা বলেছে সরকার। তবে করোনা পরিস্থিতিতে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স নয়, জোর দেওয়া হচ্ছে হাজিরা খাতায় নাম সাক্ষরে।

উল্লেখ্য, রাজধানীতে সমস্ত সরকারি অফিস খুলে গেলেও বাংলায় করোনা পরিস্থিতিতে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে খুলছে সমস্ত সরকারি অফিস। ১৬ জুন থেকে রাজ্যে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে বেসরকারি অফিস খোলারও অনুমতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কমছে করোনা, ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে দেশ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে একাধিক রাজ্যে জারি হয়েছিল লকডাউন। এবার কঠোর বিধিনিষেধ, কোভিডবিধি সম্পর্কে সচেতনতা এবং টিকাকরণের সুফল হাতেনাতে পাচ্ছে দেশ। দৈনিক সংক্রমণ কমেছে রেকর্ডহারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ হাজার ৪৭১ জন, যা গত ৭৫ দিনে সর্বনিম্ন দৈনিক সংক্রমণ। সংক্রমণ কমলেও স্বস্তির পথে কাঁটা মৃত্যুর হার। এই সময়ে দেশে করোনা প্রাণ কেড়েছে ২৭২৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভি়ড মুক্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৫২৫ জন। এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৮ জন।






Source link