মিঠুনের সভায় উপচে পড়া ভিড়, এফআইআরের নির্দেশ জেলা প্রশাসনের | mithun chakraborty rally malda against ec guidelines fir lodged against organizers

Share Now





নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই মিঠুনের সভা

নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই মিঠুনের সভা

বাংলাতে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। শুধু দৈণিক ১৩ হাজার করে মানুষ করোনাতে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই অবস্থায় ভোট বাংলায় করোনা বিধি আরও কড়া করে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে, ৫০০ জনের বেশি লোককে নিয়ে সভা করা যাবে না। কিন্তু কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়েই আজ শনিবার সভা করেন মিঠুন চক্রবর্তী। মালদহের বৈষ্ণবনগরে এই সভা করা হয়। একেবারে সামনে থেকে সভায় বক্তব্য রাখেন মিঠুন। আর তাঁকে দেখতে কয়েক হাজার মানুষ ভিড় জমান। সোশ্যাল ডিসটেস্ট তো ছিলই না সেখানে, এমনকি সভায় আসা কারোর মুখে মাস্কও ছিল না বলে অভিযোগ। এই ছবি, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিতর্ক তৈরি হয়।

এফআইআর করার নির্দেশ

এফআইআর করার নির্দেশ

এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায়ে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে নড়েচড়ে বসে কমিশন। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের তরফে কমিশনকে এই ভিডিও পাঠানো হয়। এরপরেই মালদহ নির্বাচনী আধিকারিককে বিষয়টি জানানো হয়। অভিযোগ জানানো হয় জেলা প্রশাসনকেও। অভিযোগ পাওয়ার পরেই উদ্যোক্তা বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ। উদ্যোক্তা অর্থাৎ বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে বিস্তারিত রিপোর্টও নির্বাচন কমিশন চেয়ে পাঠিয়েছে।

কড়া শাস্তির দাবি তৃণমূলের

কড়া শাস্তির দাবি তৃণমূলের

তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, নির্বাচন কমিশন কোভিড বিধি মেনে ভোট প্রচার করার কথা বলছে। ৫০০ জনের বেশি জমায়েত করা যাবে না বলে কমিশন বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু এরপরেও দিলীপ ঘোষ, মিঠুন চক্রবর্তী একের পর এক বিশাল সমাবেশ করছেন। কমিশনের বিধি মানা হচ্ছে না। দিলীপ, মিঠুনের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি সৌগত রায়ের। তিনি বলেন, যেখানে করোনার বাড়বাড়ন্ত বাংলায়। সেখানে তাঁরা কীভাবে এত লোক নিয়ে প্রচার করছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কমিশন এমন ব্যবস্থ নিক যাতে দৃষ্টান্তমূলক হয় বলে দাবি তৃণমূলের।

 হাইকোর্টের তোপের মুখে পড়ে কমিশন

হাইকোর্টের তোপের মুখে পড়ে কমিশন

বৃহস্পতিবারই প্রধান বিচারপতি টি বি এন রাধাকৃষ্ণন এবং বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে অত্যন্ত কড়া পর্যবেক্ষণে বলেছিল, নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু, তার কোনও ব্যবহার নেই। একটা সার্কুলার দিয়ে, জনগণের ওপর সব ছেড়ে দিয়েছে কমিশন। আপনাদের (কমিশনের) সব রয়েছে, পুলিশ রয়েছে, অফিসার রয়েছে, তা-ও কোনও কাজ করছেন না। ক্যুইক রেসপন্স টিম ব্যবহার করছেন না কেন? আপনাদের কাজে আমরা অসন্তুষ্ট। কমিশনের কাছ থেকে সার্কুলার চাই না, পদক্ষেপ চাই। হাইকোর্টের ভর্ত্‍‍সনার পর, নড়েচড়ে বসে সেদিন সন্ধ্যায় বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন। এরপর রাতে সভা-সমিতি-রোড শো বন্ধ করতে পদক্ষেপ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বুড়ো আঙুল দেখিয়েই এদিন ৫০০ জনেরও বেশী লোককে নিয়ে প্রচার করলেন দিলীপ ঘোষ, মিঠুন চক্রবর্তীরা

কোভিড বিধি নিয়ে কড়া কমিশন

কোভিড বিধি নিয়ে কড়া কমিশন

এখনও বাংলায় দুদফার নির্বাচন রয়েছে। এই অবস্থায় আজ পুলিশ আধিকারিক, জেলা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকেই কোভিড বিধি মানতে কড়া নির্দেশিকা জারি করতে মুখ্যসচিব, ডিজি, কলকাতার সিপিকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। প্রয়োজনে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যে দল কোভিড বিধি মানবে না তাঁদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ। কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৈঠক করেন সুশীল চন্দ্র। সেখানেই এই নির্দেশ।






Source link