ব্যাঙ্ক, রেল বা স্টাফ সিলেকশনের পরীক্ষার জন্য গোটা দেশে এবার একটিই কমন এলিজিবিলিট টেস্ট, There will be only one common test for the job of the central government

Share Now


বুধবারই নতুন ঘোষণা প্রকাশ জাভড়েকরের

বুধবারই নতুন ঘোষণা প্রকাশ জাভড়েকরের

বুধবার এই ঘোষাণা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। অনেকরই ধারণা যে সকল যুবকরা চাকরি খুঁজছেন তাঁদের জন্য লাভজনক হতে চলেছে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত। যদিও ভিন্ন মত পোষণ করতে দেখা গেছে অনেককেই। এদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমানে ২০টি নিয়োগ সংস্থা আছে যার মধ্যে তিনটি সংস্থার পরীক্ষাকে সাধারণ হিসেবে বেছে নিয়ে কমন এলিজিবিলিটি টেস্ট বা সিআইটি পরিচালনা করা হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় সচিব সি চন্দ্রমৌলি।

২০২১ সাল থেকেই পরীক্ষা শুরু পরিকল্পনা

২০২১ সাল থেকেই পরীক্ষা শুরু পরিকল্পনা

সূত্রের খবর, সিইটি-র মাধ্যমে ২০২১ সাল থেকেই পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে মোদী সরকারের। এরফলে পাবলিক সেক্টর এজেন্সিগুলিকে এখন থেকে একটিমাত্র অনলাইন এন্ট্রান্স টেস্ট নিতে বলে জানা যাচ্ছে। সিইটি-র মাধ্যমে গ্রুপ-বি ও গ্রুপ-সি বিভাগেই কর্মী নিয়োগ করা হবে। সাধারণ ভাষায়, এই দুই বিভাগ নন-গেজেটেড।

নন-গেজেটেড পদে নিয়োগের জন্য তৈরি হল অভিন্ন নিয়োগ বোর্ড

নন-গেজেটেড পদে নিয়োগের জন্য তৈরি হল অভিন্ন নিয়োগ বোর্ড

নতুন এই কেন্দ্রীয় নিয়মের ফলে সমস্ত নন-গেজেটেড পদে নিয়োগের জন্য তৈরি হয়েছে অভিন্ন নিয়োগ বোর্ড। এই নতুন নিয়মে ফলে নন টেকনিক্যাল পোস্টের জন্য স্টাফ সিলেকশন কমিশন, রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড ও ইনস্টিটিউট অব ব্যাঙ্কিং পার্সোনেল সিলেকশনের প্রথম স্তরের পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তবে চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই হবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের পরীক্ষার মাধ্যমে।

 ১২টি ভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ

১২টি ভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ

এর আগে যেখানে ২টি ভাষায় পরীক্ষা দিতে পারতেন চারকিপ্রার্থীরা এখন সেখানে এখন থেকে ১২টি ভাষার মাধ্যমে তাঁরা পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কমন এলিজিবিটি টেস্ট পরীক্ষার মেধা তালিকা বা প্রাপ্ত নম্বর তিন বছরের জন্য বৈধ বলে গণ্য করা হবে।

কী রকম হচ্ছে চাকপরি প্রার্থীদের নির্বাচনের পদ্ধতি ?

কী রকম হচ্ছে চাকপরি প্রার্থীদের নির্বাচনের পদ্ধতি ?

বর্তমান নিয়ে প্রার্থীরা চাইলে একাধিকবার পরীক্ষা দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে চাকরি প্রার্থীর সেরা নম্বরটিকেই চাকরির মাপকাঠি হিসাবে যোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে বলে সূত্রের খবর। এদিকে বর্তমানে এই তিন খাতে প্রতি বছর প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার সরকারি পদের জন্য পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। আনুমানিক ২.৫ কোটি পরীক্ষার্থী ফি বছর আবেদন করেন বলে কেন্দ্রীয় তথ্য অনুসারেই জানা যাচ্ছে।



Source link