বিজয়োৎসব হলে কোপে পড়তে পারেন অফিসাররা – if any victory procession takes place during covid 19 second wave, major steps will be taken against police officers, says eci

Share Now





হাইলাইটস

  • রবিবার বিকেল ৩টে।
  • ইএম বাইপাসের রুবি মোড়ের কাছে ঘন ঘন অ্যাম্বুল্যান্স আর শববাহী গাড়ির সাইরেন রবিবার দুপুরেও জানান দিচ্ছে, রাজ্য করোনা পরিস্থিতি মোটেই সন্তোষজনক নয়।
  • অ্যাম্বুল্যান্স ও শববাহী গাড়ির পাশ দিয়েই দেখা গিয়েছে রাজ্যের শাসকদলের পতাকা হাতে মোটরবাইকের সারি।

এই সময়: রবিবার বিকেল ৩টে। ইএম বাইপাসের রুবি মোড়ের কাছে ঘন ঘন অ্যাম্বুল্যান্স আর শববাহী গাড়ির সাইরেন রবিবার দুপুরেও জানান দিচ্ছে, রাজ্য করোনা পরিস্থিতি মোটেই সন্তোষজনক নয়। অ্যাম্বুল্যান্স ও শববাহী গাড়ির পাশ দিয়েই দেখা গিয়েছে রাজ্যের শাসকদলের পতাকা হাতে মোটরবাইকের সারি। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগে প্রশাসন, তখন সেই বিজয় মিছিলেও অনেকের মুখে মাস্ক চোখে পড়েনি। করোনা পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতৃত্ব এবং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আপাতত বিজয় মিছিল বন্ধ রাখার কথা বলেছেন। নির্বাচন কমিশনও আগেই বিজয় মিছিল বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছিল।

তার পরেও শুধু ইএম বাইপাস নয়, বেহালা থেকে বেলেঘাটা, একবালপুর থেকে শ্যামপুকুর, করোনা ভুলে জয়ের আনন্দে আবির খেলায় মাতলেন দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। অনেক জায়গাতেই মুখে মাস্ক তো নেই, একে-অপরকে জড়িয়ে ধরে চলেছে কোলাকুলিও। মুহূর্তের অসতর্কতায় তাঁরা যে নিজের, পরিবারের ও অন্যদের বিপদ বাড়ালেন, তা হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন অনেকে।

এ সব দেখে চিকিৎসকদের প্রশ্ন, বাংলায় সংক্রমণের হার দ্রুত গতিতে বাড়ছে। প্রতিদিনই আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী। হাসপাতালে একটা বেড-এর জন্য হাহাকার চলছে। নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিজয় উৎসব নিয়ে কী আরও একটু দায়িত্বশীল হওয়া যেত না?

এই পরিস্থিতিতে ভোটের ফলাফলের পর বিজয় উৎসব নিয়ে ফের কড়া বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। ভোটে জিতলেও বিজয় উৎসব করা যাবে না বলে আগেই ঘোষণা করেছিল কমিশন। রবিবার ভোটের ফল ঘোষণার দিনেও নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়েছে, যাঁরা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করতে হবে। অতিমারীর সময় তা বলবৎ করতে না-পারলে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির প্রশাসনিক কর্তাদের। পাশাপাশি, ওই পুলিশ অফিসার ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের অবিলম্বে সাসপেন্ড করে প্রশাসনিক পদক্ষেপেরও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

মহারাষ্ট্র, দিল্লির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ রাজ্যেও করোনা সংক্রমণের হার অনেকটাই বেশি। দৈনিক মৃত্যুও হচ্ছে আগের থেকে অনেক বেশি সংখ্যায়। রবিবার রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৫১৫ জন। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ছুঁইছুঁই। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৯২ জন। এই পরিস্থিতিতে বিজয় উৎসব করা যাবে না বলে ফের জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলিকেও আলাদা করে চিঠি দিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। তারা এও বলেছে, নির্দেশের পরেও যে ভাবে করোনাবিধি উড়িয়ে কিছু কিছু জায়গায় বিজয় মিছিল হচ্ছে, তা কমিশন ভালো ভাবে নিচ্ছে না।

পরিস্থিতি উদ্বেগজনক! রাজ্যের দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে ১৭ হাজার পার
টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।






Source link