বিজেপির সভাপতি বদলে শোরগোল, ভোটের মুখে কেন এমন সিদ্ধান্ত প্রশ্নের মুখে নেতৃত্ব, BJP decides to change district president of North Dinajpur before Bengal Assembly Election

Share Now





বেনজির সিদ্ধান্তে বদল বিজেপির জেলা সভাপতি

বেনজির সিদ্ধান্তে বদল বিজেপির জেলা সভাপতি

আগামী ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ দফায় উত্তর দিনাজপুরের বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে বিজেপিতে এই রদবদল নজর কেড়েছে সব পক্ষেরই। বিজেপি কেন বেনজির সিদ্ধান্ত নিয়ে বদল করল জেলা সভাপতি, তা নিয়ে চর্চা চলছে সব মহলেই। এর আগে কোনও জেলাতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়নি বিজেপি। এক্ষেত্রে কেন, তা নিয়ে ভাবছেন বিজেপির নেতা-নেত্রীরাও।

রোড শো-র আগে জেলা সভাপতি পরিবর্তনের নির্দেশ

রোড শো-র আগে জেলা সভাপতি পরিবর্তনের নির্দেশ

ভোটের বাকি আর মাত্র ৯ দিন। তার আগে সোমবার বিকেলে হেমতাবাদে রোড শো করে যান অমিত শাহ। জনসভা করেন মহারাজাহাট লাগোয়া ময়দানে। সভামঞ্চে অমিত শাহের পাশে সভাপতি হিসেবে ছিলেন বিশ্বজিৎ লাহিড়ী। মঙ্গলবার ইসলামপুরে রোড শো করার আগেই বিজেপি জেলা সভাপতি পরিবর্তনের নির্দেশ আসে।

দলের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতেই ছড়ি ঘোরালেন মন্ত্রী!

দলের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতেই ছড়ি ঘোরালেন মন্ত্রী!

রাজ্য নেতৃত্ব বিশ্বজিৎ লাহিড়ীর পরিবর্তে বাসুদেব সরকারকে বিজেপির নতুন জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া কথা বলেন। বাসুদেব সরকার রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। দলের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে দেবশ্রী চৌধুরীই এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই বিক্ষোভের জের

বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই বিক্ষোভের জের

বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই গোষ্ঠীকোন্দল শুরু হয়ে যায়। জেলার ৯টি আসনে যাদের প্রার্থী করা হয় তাঁরা সবাই কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। জেলায় দলের ক্ষমতাসীন শিবির তা মেনে নিতে পারেননি। তাই জেলাজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়। সেই বিক্ষোভের আঁচ পৌঁছে যায় দিল্লি পর্যন্ত।

বিক্ষোভের পিছনে ছিলেন খোদ জেলা সভাপতি! তাই...

বিক্ষোভের পিছনে ছিলেন খোদ জেলা সভাপতি! তাই…

সেইসময় কেন্দ্রীয়মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীর কুশপুত্তলিকা দাহ থেকে ছবিতে জুতোর মালা পরানো বা জুতোপেটার ঘটনা ঘটে। তা ভালো ভাবে নেননি মোদী-শাহরা। তার জেরেই এদিনের দলবদল বলে মনে করা হচ্ছে। ওই বিক্ষোভের পিছনে জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ীর হাত থাকার অভিযোগেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।






Source link