বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের অপার সম্ভাবনা রয়েছে

Share Now


ঢাকা, ২৭ ডিসেম্বর- বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা অপার। এগুলো চিহ্নিত করে তা কাজে লাগানোর জন্য তার দেশ বদ্ধপরিকর।

ভারতের হাইকমিশনার রোববার যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপির সঙ্গে বৈঠককালে এ অভিমত ব্যক্ত করেন। এ সময় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম ইসলাম, পরিচালক মনিকা ইসলাম, যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, যমুনা টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক ফাহিম আহমেদ, ভারতীয় হাইকমিশনের প্রথম সচিব শাশ্বতি আরিয়া ও দ্বিতীয় সচিব দেবব্রত পাল উপস্থিত ছিলেন।

যমুনা ফিউচার পার্কে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের দফতরে বৈঠকটি প্রায় ১ ঘণ্টা চলে। এ সময় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সালমা ইসলাম এমপি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি দ্রুত তিস্তা চুক্তি সম্পাদন এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধে উদ্যোগ নেয়ার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানান।

সালমা ইসলাম এ সময় বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান একসঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করছি।’ শামীম ইসলাম ও মনিকা ইসলাম দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন। বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী পরে দেশের অন্যতম প্রধান সংবাদপত্র যুগান্তর ও সংবাদভিত্তিক জনপ্রিয় যমুনা টেলিভিশন কার্যালয় পরিদর্শন করেন।

দোরাইস্বামী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের সত্যিকার ক্রেডিট বাংলাদেশের জনগণের। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল সত্যিকার একটা জনযুদ্ধ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন জানাতে পেরে আমরা গর্বিত। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের জনগণের ভিত্তি তার ওপর প্রতিষ্ঠিত। একপর্যায়ে ভারতের

সীমান্ত হত্যা সম্পর্কে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধে আমরা উভয় দেশ একত্রে কাজ করছি। চোরাচালানকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এটা কমাতে নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর মধ্যে সহযোগিতা দরকার। যৌথভাবে টহল দেয়া দরকার।

যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতের হাইকমিশনার যমুনা টেলিভিশনে যান। সেখানে প্রধান বার্তা সম্পাদক ফাহিম আহমেদ তাকে স্বাগত জানান। তিনি তার সহকর্মীদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারকে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় সেখানে ছিলেন- উপ-প্রধান বার্তা সম্পাদক মিজান আহমেদ, অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল, বিশেষ প্রতিনিধি মোহসিনুল হাকিম, মাহফুজ মিশু, আবদুল্লাহ তুহিন, আলমগীর স্বপন ও সুশান্ত সিনহা।

সূত্র: যুগান্তর

আর/০৮:১৪/২৭ ডিসেম্বর





Source link