পুলওয়ামা এনকাউন্টারে শহিদ স্বামীর স্বপ্নপূরণ! লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ সেনায় – pulwama martyr major dhoundiyal’s wife nitika kaul joins indian army

Share Now





এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : স্বামীর দেখানো পথ, দেশসেবা-ই পরম ধর্ম! এমনটাই মনে করেন পুলওয়ামা হামলায় শহিদ মেজর বিভূতি শঙ্কর ধোন্ডিয়ালের স্ত্রী নিকিতা ধোন্ডিয়াল। তাই দেশ রক্ষা করতে গিয়ে স্বামীর শহিদ হওয়ার পরই নিকিতা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, দেশরক্ষার কাজে সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন তিনি। তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ হল অবশেষে। শনিবার নিকিতা ধোন্ডিয়ালকে লেফটেন্যান্টের স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর কাঁধে তারা পরিয়ে দিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াই. কে যোশী স্বয়ং।

মেজর বিভূতি শঙ্কর ধোন্ডিয়ালের স্ত্রী নিকিতা ধোন্ডিয়াল গত বছরই এলাহাবাদে সেনাবাহিনীর প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাস করেন। তারপর চেন্নাইয়ের অফিসার্স অ্যাকাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেন। সফলতার সঙ্গে সেই প্রশিক্ষণও সম্পূর্ণ করেন নিকিতা। এরপর এদিন চেন্নাইয়ের অফিসার্স অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত অফিসার্স প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের প্যারেড অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন নিকিতা ধোন্ডিয়ালও। লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াই. কে যোশীও উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। প্যারেড অনুষ্ঠান শেষে তিনি স্বয়ং মেজর-পত্নী নিকিতা ধোন্ডিয়ালকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট পদের স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর কাঁধে তারা লাগিয়ে দেন। স্বয়ং লেফটেন্যান্ট জেনারেলের কাছ থেকে এই বিশেষ স্বীকৃতি পেয়ে আপ্লুত নিকিতা। বাস্তবায়িত হল তাঁর স্বপ্ন।

নাক খুঁচিয়ে সোয়াব সংগ্রহের দিন শেষ, গার্গেলেই ৩ ঘণ্টায় করোনা রিপোর্ট

মেজর-পত্মীর এখন একটাই লক্ষ্য, শহিদ স্বামীর পথে হেঁটে দেশের সেবায় ব্রতী হওয়া। সূত্রের খবর, স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে গত বছর থেকেই বাড়ির বাইরে নিকিতা। এখন তাঁর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তাই করোনার প্রকোপ কিছুটা কমলে উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুনে নিজের বাড়িতে ফিরবেন লেফটেন্যান্ট নিকিতা ধোন্ডিয়াল।

৫ লাখ টাকা জেতার সুযোগ দিচ্ছে কেন্দ্র, ২৫ জুনের আগে করতে হবে এই কাজ

উল্লেখ্য, দেরাদুন নিবাসী মেজর বিভূতি শঙ্কর ধোন্ডিয়ালের ২০১৯ সালে পোস্টিং হয়েছিল জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায়। ২০১৯ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সেখানে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের পাকড়াও করতে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। সেই অভিযানে ছিলেন মেজর বিভূতিও। জঙ্গিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর তীব্র গুলির লড়াই হয়। জঙ্গিদের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে লড়াই করেন মেজর বিভূতি। শেষ পর্যন্ত জঙ্গিদের ছোঁড়া গুলিতেই শহিদ হন তিনি। মেজর বিভূতি ছাড়াও ওই গুলির লড়াইয়ে আরও ৪ জওয়ান শহিদ হন। এরপর স্বামীর শহিদ হওয়ার খবর পেয়ে মেজর-পত্মী নিকিতা ধোন্ডিয়াল কান্নায় ভেঙে পড়েননি। বরং স্বামীর মৃতদেহের সামনে দাঁড়িয়েই তাঁর পথে হেঁটে দেশসেবার শপথ নেন।






Source link