পশ্চিম সিকিমের মূল আকর্ষণ গ্যালশিংয়ে কাঞ্চনের দর্শন মেলে কাছ থেকে, One of the best point of interest of West Sikkim is Geyzing

Share Now


অবস্থান

অবস্থান

সমতল থেকে সাড়ে ছয় হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত গ্য়ালশিং, সিকিমের প্রাক্তন রাজধানী ইয়াকসামের প্রাণকেন্দ্র বলা চলে। ১৭ কিংবা ১৮ শতকে গড়ে ওঠা এই শহরে পাওয়া যায় আধুনিকতার ছোঁয়া। প্রাচীন স্থাপত্যের মিশেলে এক অন্য সৌন্দর্য্য নিয়ে বাস করছে কাঞ্চনজঙ্ঘার বন্ধু গ্যালশিং।

যাত্রাপথ

যাত্রাপথ

শিলিগুড়ি থেকে ১২২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত পশ্চিম সিকিমের শৈলশহরে পৌঁছতে হয় সড়ক পথে। করোনোশন ব্রিজ, জোরেথাং, লেগশিপের শোভাকে পিছনে ফেলে গেজিংয়ে পৌঁছতে সময় লাগে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা। বর্ষাকালে সময়ের ব্যবধান বেড়ে যেতে পারে আরও। তার আগে কলকাতা থেকে ট্রেন, বাস কিংবা আকাশপথে পৌঁছতে হবে শিলিগুড়ি। সেখান থেকে গ্যালশিং যাওয়ার আগে কেউ কেউ গ্যাংটকেও এক রাত্রি কাটিয়ে যান।

কেন যাবেন

কেন যাবেন

১) কেচুপেরি লেক : সিকিমিজদের কথায়, চারপাশে প্রার্থনা ফ্ল্যাগ, গাছ-গাছালি দিয়ে ভরা থাকেও এই লেকে নোংরা তো দূর, পাতাও নাকি পড়ে না। যদি বা পরে, তা তুলে নিয়ে যায় পাখিরা। তাই কেচুপেরি লেকে ঐশ্বরিক শক্তি বিরাজ করে বলে মনপ্রাণ দিয়ে বিশ্বাস করেন এলাকার মানুষ। লেকের জলে স্নান করে পুন্য অর্জন করা সম্ভব বলে ধারণা। গ্যালশিং থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সবুজে মোড়া এই লেক সৌন্দর্য্যের খনি। সংলগ্ন এক বৌদ্ধ মনাস্ট্রিতে ঢু মেরে আসলে মন ভরে যায়।

২) ১৯৯৬ সালে তৈরি হওয়া ১০৪ স্কোয়ার কিলোমিটার জায়গা জুড়ে অবস্থান করা ভারসে রডোডেনড্রন স্যাঞ্চুয়ারি এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।

৩) প্রাকৃতিক শোভা অনুভব করতে হলে গ্যালশিং থেকে কিছুটা নেমে ইয়াংতে এলাকার এক রাত কাটাতেই হবে। পাহাড়ি বন, এলোমেলো পথ এবং নিঃস্তব্ধতা এই স্থানে পর্যটকদের টানে। হিমালয়ের অতি আপন পানডিম, নার্সিং এবং রাথোং শৃঙ্ঘের স্পষ্ট দর্শন মেলে ইয়াংতে থেকে।

থাকার জায়গা

থাকার জায়গা

পর্যটকদের জন্য গ্যালশিংয়ে তৈরি হয়েছে বেশকিছু হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং হোম স্টে। মে থেকে অক্টোবরে পশ্চিম সিকিমের এই স্থানে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করা উচিত কাজ হবে। বাকি মরসুমে ঠান্ডা কেড়ে নিতে পারে ভ্রমণের আনন্দ।



Source link