পশ্চিমবঙ্গের ভোটে কেন এগিয়ে রাখা হচ্ছে তৃণমূলকে , West Bengal may see BJP-TMC close contest, know Mamata’s advantages

Share Now





 কিছু বুথ ফেরৎ সমীক্ষায় নজর

কিছু বুথ ফেরৎ সমীক্ষায় নজর

ইটিজি রিসার্চের সমীক্ষা বলছে বাংলায় ১০৫ থেকে ১১৫ টি আসন পাবে বিজেপি, তৃণমূল পাচ্ছে ১৬৪ থেকে ১৭৬ । সেক্ষেত্রে মমতা শিবির ম্যাজিক ফিগার পার করছে। ১৪৮ এর ম্যাজিক ফিগার তৃণমূল পার করতে পারবে বলে আভাস রয়েছে পি মার্কের সমীক্ষায় । তারা বলছে তৃণমূল পাবে ১৫২ থেকে ১৭২ টি আসন। বিজেপি ১১২ থেকে ১৩২, বাম-কংগ্রেস ১০ থেকে ১৫ আসন।

আরও কিছু সমীক্ষা

আরও কিছু সমীক্ষা

টাইমস নাও সিভোটার বলছে তৃণমূল পাবে ১৫৮, বিজেপি ১১৫, বামেরা ১৯ টি আসন। পোল স্টার্টের সমীক্ষা বলছে বিজেপি ১২৫ থেকে ১৩৫ টি আসন, তৃণমূল ১৪২ টি ও বাম কংগ্রেস ১৬ থেকে ২৬ টি আসন। এবিপি সিভোটার বলছে বিজেপি ১০৯ থেকে ১২১ টি আসন পাবে। মমতা শিবির পাবে ১৫২ থেকে ১৬৪ টি আসন। জন কি বাতের সমীক্ষায় বিজেপির ঘরে আসবে ১২৫ থেকে ১৩৫ টি আসন। তৃণমূলের ঘরে ১৪২ থেকে ১৫২ টি আসন। বামেরা ১৬ থেকে ২৬ টি আসন পাবে।

ইন্ডিয়া টুডে অ্যাক্সিসের মতে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। বিজেপি ১৩৪ থেকে ১৬০ টি আসন পাবে, তৃণমূল ১৩০ থেকে ১৫৬টি আসন পাবে। টুডেস চাণক্য বলছে বিজেপি ১০৮ থেকে তৃণমূল ১৮০ টি আসন পাবে।

 মমতারপক্ষে যাচ্ছে কোন কোন ফ্যাক্টর

মমতারপক্ষে যাচ্ছে কোন কোন ফ্যাক্টর

প্রসঙ্গত, মমতার পক্ষে এবারের ভোটের বেশ কয়েকটি ফ্যাক্টর যেতে পারে বলে মনে করছেন এক্সিট পোল বিশেষজ্ঞরা। এবারে বাংলার ভোট মূলত মেরুকরণের ওপর ভিত্তি করে হয়েছে। সেই জমিতে দুর্নীতি বনাম উন্নয়নের ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোধ্যায় বনাম দিলীপ ঘোষদের সংঘাত চরমে উঠেছে। এই জায়গা থেকে ‘বহিরাগত’ ইস্যুকে ভোটের প্রথমের দিকে তুলে ধরে , ভোটের শেষের দিকে সেই ‘ বহিরাগতরাই করোনা ছড়াচ্ছে’ ইস্যুত ঝড় তোলে তৃণমূল। এছাড়াও বেশ কয়েকটি ফ্যাক্টর মমতার পক্ষে সামিল হচ্ছে বলে দাবি বহু বিশ্লেষকের।

 মেরুকরণ ও অ্য়াডভান্টেজ

মেরুকরণ ও অ্য়াডভান্টেজ

মূলত, মেরুকরণের ভোটে বিজেপি হিন্দুত্ব তাসে ভোট পারদ চড়িয়েছে বাংলায়। সেখানে মমতার আপামর বাংলার জনগণের প্রতি বার্তা খানিকটা অ্যাডভান্টেজ তৃণমূলকে দিয়েছে। এছাড়াও বাঙালিয়ানার সংস্কৃতি থেকে মতা সরকারের স্বাস্থ্যসাথী স্কিম ও একাধিক রাজ্যসরকারী প্রকল্প ভোটে বড়সড় প্রভাব বিস্তার করছে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও ভোটের মুখে মমতা শিবির ছেড়ে বহু নেতার বিজেপি যোগ , দিদির দিকে আবেগের ইস্যুতে একটি ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করলেও করতে পারে বলেও বহু বিশেষজ্ঞের ধারণা। এছাড়াও শীতলকুচি কাণ্ড থেকে করোনাকালে ভোট গ্রহণ নিয়ে মমতার সরব হওয়া, এই সমস্ত ফ্যাক্টরে তৃণমূল শিবির ভোট যুদ্ধ মাত করতে পারে বলে দাবি একাধিক জনের।






Source link