করোনা অতিমারির মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে আরেক নতুন মহামারী – centre asks states to notify black fungus under epidemic diseases act

Share Now





এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : একে রামে রক্ষে নেই, তায় বিভীষণ দোসর! করোনা মহামারীতেই বিধ্বস্ত ভারত, এর উপর নতুন সংযোজন হল ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। বৃহস্পতিবার ব্ল্যাক ফাঙ্গাস-কে মহামারী ঘোষণা করল কেন্দ্র। এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ব্ল্যাক ফাঙ্গাস-কে ‘মহামারী অসুখ আইন’-এর তালিকায় ফেলে রাজ্যগুলিকে চিঠি দিলেন যুগ্ম স্বাস্থ্য সচিব লভ আগরওয়াল। মূলত করোনা রোগীদের মধ্যেই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে এবং এটি বিরল ইনফেকশন বলেও তিনি জানিয়েছেন।

রাজ্যগুলিকে দেওয়া চিঠিতে লভ আগরওয়াল লিখেছেন, ‘সম্প্রতি ফাঙ্গাল ইনফেকশনের রূপে একটা নতুন চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। এটির নাম….বিভিন্ন রাজ্যে কোভিড রোগীদেরই এই অসুখে আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। বিশেষত যাঁদের স্টেরয়েড থেরাপি চলেছে এবং রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নেই।’ এই ফাঙ্গাল ইনফেকশন কোভিড রোগীদের মৃত্যুর সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যুগ্ম স্বাস্থ্য সচিব।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসার জন্য একসঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের চিকিৎসার প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব। চিঠিতে তিনি জানান, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসার জন্য একসঙ্গে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন। যেমন- ইএনটি স্পেশ্যালিস্ট, জেনারেল সার্জন, স্নায়ু বিশেশজ্ঞ, চোখ বিশেশজ্ঞ, দাঁত-মুখমণ্ডল বিশেষজ্ঞ এবং সর্বোপরি অ্যান্টি ফাঙ্গাল জাতীয় ওষুধ অ্যামফোটেরিসিন। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসার জন্য সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনে চিকিৎসা করারও নির্দেশ দিয়েছেন লভ আগরওয়াল।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রোগের উপসর্গ সম্পর্কে তিনি জানান, মূলত নাকের চারদিকে কালো কালো ছোপ, দুটো করে দেখা, বুকে যন্ত্রণা, শ্বাসকষ্ট, কাশির সঙ্গে রক্তপাত হলে এগুলি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপসর্গ হতে পারে। মূলত ডায়াবেটিস রোগীদেরই এই ধরনের উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। তাই ডায়াবেটিস রোগী এবং যাঁদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাঁদের এই ধরনের যে কোনো উপসর্গ বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, মুখমণ্ডলের একদিকে কালো ছোপ, মাথা যন্ত্রণা, দাঁতের যন্ত্রণা বা দাঁত পড়ে যাওয়ার মতো কোনো উপসর্গ রয়েছে কিনা সেদিকে চিকিৎসকদের নজর রাখার পরামর্শ দিচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্রে ইতিমধ্যে ১,৫০০ জন ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আবার রাজস্থান ও তেলেঙ্গানা ইতিমধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস-কে মহামারী হিসাবে ঘোষণা করেছে। যদিও তামিলনাড়ুতে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। তবে তামিলনাড়ুও ‘পাবলিক হেল্থ অ্যাক্ট’-এর মধ্যে এটিকে ফেলেছে।চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস মূলত মুখ, নাক, চোখ এবং মাথায় প্রভাব ফেলছে। এমনকি ফুসফুসও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।






Source link