আবহাওয়ার পূর্বাভাসে হলুদ, কমলা ও লাল সতর্কতার অর্থ কী? – yellow, orange, red all the colours of weather warning, and when you should worry, here the details

Share Now





এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কেমন থাকবে আবহাওয়া? তা জানান দিতে এই অথবা অনেক সময়ই বিপদ বোঝাতে আবহবিদরা লাল, হলুদ বা কমলা সতর্কতা জারির কথা উল্লেখ করেন। বিশেষত ঘূর্ণিঝড় বা অতিবৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এই শব্দগুলির ব্যবহার বিশেষভাবে যায়। কিন্তু আদতে এর প্রকৃত অর্থ কী? কেনই বা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই কালার কোড ব্যবহার করে থাকে তা নিয়ে অনেকরই মনে জমে প্রশ্ন।

সম্প্রতি ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসে এই তিনধরনের রঙের সতর্কতারই উল্লেখ করেছিল আবহাওয়া দফতর। সহজ কথায় বলে গেলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতার মাত্রা বোঝাতে আবহাওয়ার রিপোর্টে এই কালার কোডগুলি ব্যবহার করা হয়। প্রকৃতির তাণ্ডব থেকে মানুষকে রক্ষা করতেই তিন রকমের অ্যালার্ট জারি করে আবহাওয়া দফতর। প্রত্যেক রঙের তাৎপর্য আলাদা। ইন্ডিয়ান মেটেরলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের (IMD) মতে, এই কালার কোডগুলি প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে সতর্ক করতেই ব্যবহার করা হয়। যাতে বিপদের ভয়াবহতা বুঝে তারা প্রয়োজন মতো প্রস্তুত থাকতে পারেন এবং দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে বিপদের আশঙ্কাকে যাতে হ্রাস করা যায়।

সতর্কতায় কালার কোডের অর্থ কী?

সাধারণত আবহাওয়ার চার রকমের কালার কোড রয়েছে। সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল। সুবজ অর্থাৎ কোনও আশঙ্কা নেই। হলুদ সতর্কতার অর্থ হল, সতর্ক থাকুন এবং লক্ষ্য রাখুন। তবে খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই। ইয়োলো অ্যালার্ট জারি করা হলে বাসিন্দারা যাতে দুর্যোগের কারণে বাসস্থান নিয়ে কোনও বিপদে না পড়েন তাই তাদের আত্মরক্ষার্থে কিছু ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

বিপদ কমলা ও লাল সতর্কতার ক্ষেত্রেই। আবহবিদরা বলছেন কমলা সতর্কবার্তা জারি হওয়া মানেই ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে প্রস্তুত থাকতে হবে। লাল সতর্কতা অর্থাৎ রেড অ্যালার্টে বিপদ ঘণ্টি। এই কোডটির সঙ্গেই আমরা বেশি পরিচিত। ঘূর্ণাবর্ত হোক বা অতিবৃষ্টি ক্ষয়ক্ষতির মারাত্মক আশঙ্কা থেকেই জারি করা হয় লাল সতর্কতা। তবে বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি, ঝড় সহ সমস্ত ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে লাল সর্তকতা জারি হওয়ার মাপকাঠি পরিস্থিতি অনুযায়ী ভিন্ন। এমনকী গরমকালে তাপমাত্রার বৃদ্ধির পূর্বাভাসে ব্যবহার হয় কালার কোড।

কিভাবে নির্ধারণ করা হয় ‘রঙিন সতর্কতা’

ইন্ডিয়ান মেটোরলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের (IMD) কর্মরত এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, সাধারণত আবহাওয়ার আগামী পাঁচদিনের ট্রেন্ড বিশেষ গাণিতিক পদ্ধতিতে ফেলে সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখে সতর্কবার্তার কালার কোড ঠিক করা হয়। এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়ার ধরন, বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিরও এতে ভূমিকা থাকে।

এক নজরে ভিন্ন আবহাওয়ায় কালার কোডের ব্যবহার-

ভারী বৃষ্টি/ তুষারপাত

বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত/ শিলাবৃষ্টি

ধুলোঝড়






Source link